JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.

বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী

যাংকে ঋণ জালিয়াতিসহ নানা ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মালিকদের ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন সরকার প্রধান। এতে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

যদিও এই বৈঠককে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেছেন বেসরকারি ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, ‘এটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে। ব্যাংক নিয়ে কোনো বিশেষ বৈঠক হবে না।’

গত কয়েক বছর ধরেই ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। বেনামি ঋণ নিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়া, খেলাপি ঋণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়া ছাড়াও ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে নানা ঘটনা সংবাদের শিরোনাম হয়ে এসেছে।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরের ফারমার্স ব্যাংকের আমানত ফেরত দিতে না পারার ঘটনায় তোলপাড় চলছে।

অবশ্য ব্যাংকিং খাতের অনিয়মের সিংহভাগই সরকারি ব্যাংকের। তার পরেও বেসরকারি ব্যাংকের বেশ কিছূ ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ধুঁকছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন এসেছে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্যাংক মালিকরা। ওই বৈঠকে ব্যাংকগুলোর তারল্য সঙ্কট, ঊর্ধ্বমূখী সুদহার নিয়ন্ত্রণ ও শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ বাড়ানোসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ হয়।

এই বৈঠকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর জন্য দুটি বড় ছাড় দেয়ার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশে ব্যাংকে জমা রাখা নগদ জমা সংরক্ষণ বা সিআরআর এক শতাংশ কমানো এবং সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে জমা রাখা।

সিআরআর কমানোর ফলে ব্যাংকগুলো ১০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি ব্যবহার করতে পারবে। আর বেসরকারি ব্যাংকে সরকারি আমানত দ্বিগুণ হলে তারল্য সংকট আরও কমবে। এতে সুদকার ১০ শতাংশের নিচে নামবে বলেও আশা করছে সরকার।

ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ সুবিধা চাইছে। তারা যে পরিমাণ অর্খ বিনিয়োগ করতে পারে, তার হিসাব হয় শেয়ারের বাজারমূল্যের ভিত্তিতে। কিন্তু ব্যাংকগুলো চাইছে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে এই হিসাব হোক। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক সে দাবি নাকচ করে দিয়েছে।

Comments

comments

error: Content is protected !!