অনন্তকে গলায় জড়িয়ে হাজির সৃজিত

Spread the love

স্বামীর মৃত্যুর পর পোষ্যরাই এখন তাঁর স্ত্রী নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পালের অন্যতম সঙ্গী। সম্প্রতি এক পোষ্যকে হারিয়ে ভেঙেও পড়েছিলেন নন্দিনী। যে পোষ্যটিকে মেয়ের মতোই ভালোবাসতেন তাপস-নন্দিনী।সালটা ছিল ২০২০, সেবছরই ফেব্রুয়ারি মাসে মৃত্যু হয় তাপস পালের।

নন্দিনী মুখাপাধ্যায়ল পাল লিখেছেন, ‘সাপ সবসময় আমাকে একটা ভয়ঙ্কর অনুভূতি দেয়। আজ আমি, পুতুল এবং ছোটি সুলতানা ভেট স্পেকট্রামে গিয়েছিলাম, সেখানে স্পা সেশনের সময় সৃজিত এবং ওঁর বাচ্চা অনন্তের সঙ্গে দেখা, যেটা কিনা আসলে বল পাইথন। সেখানে ওকে দেখা আমি ভুল প্রমাণিত হয়েছি। অনন্ত এত প্রেমময় এবং মিষ্টি, সে মোটেও ভীতিকর নয় …. ।’ এরপর সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সৃজিত আপনি ঠিকই বলেছেন এখন আমার মনে হচ্ছে ভুল বুঝেই মানুষ সাপকে দূরে সরিয়ে রাখে। ঠিক যেমন পিটবুল, রটওয়াইলার প্রজাতির কুকুরকে মানুষ হিংস্র ভেবে পুষতে চান না। তোমাকে এবং অনন্তকে অনেক ধন্যবাদ আজ, এত সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য।’ 

সম্প্রতি আদরের আরও এক পোষ্য সুলতানাকে নিয়ে স্পা করাতে নিয়ে গিয়েছিলেন নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পাল। সেখানে গিয়েই তাঁর দেখা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তবে সৃজিত একা নন। পরিচালকের সঙ্গেও ছিল তাঁর পোষ্য ‘অনন্ত’। যেটি কিনা আদপে একটা বল পাইথন। তাঁকে দেখেই বিরল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তাপস পালের স্ত্রী। কারণ চিরকালই পশু-পাখি ভালোবাসলেও সাপকে তিনি বেশ ভয়ই পান। এদিকে সৃজিতের পাইথনের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর ঠিক কী ঘটেছে, সেকথা বিস্তারিত নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন নন্দিনী। ঠিক কী লিখেছেন তিনি?

একটা নয়, বাড়িতে ৪টে বল পাইথন রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের। সরকারি অনুমতি নিয়েই এই পোষ্যকে বাড়িতে এনেছেন সৃজিত। প্রায়দিনই আদরের পোষ্যদের নিয়ে ছবি তুলতে, নান রঙের পাইথনগুলিকে গলায় জড়িয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় সৃজিতকে। তাঁদের নিয়মিত দেখভাল করা, যত্ন নেওয়া, পশু চকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া সবই করেন সৃজিত। সম্প্রতি পাইথনদের সঙ্গে পিতৃদিবসও পালন করেছেন। আর তাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু কম হাসিঠাট্টা হয়নি। তাবে তাতে সৃজিতের ভারী বয়েই গেল! তিনি পাইথনদের সঙ্গে বেশ খোশ মেজাজেই রয়েছেন।

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের আদরের অনন্তকে হাতে ধরে পরিচালকের পাশে দাঁড়িয়ে ছবিও তুলেছেন নন্দিনী মুখোপাধ্যায় পাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *