গত ২৩ জানুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন মধুমিতা সরকার। দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন তিনি। সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর বহুদিনের বন্ধু দেবমাল্যকে নিজের জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন অভিনেত্রী।
বারুইপুর রাজবাড়িতে জমকালো বিয়ের পর রবিবার ছিল রিসেপশন। শোভাবাজার রাজবাড়ির ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপটে সাজানো হয়েছিল রিসেপশনের ভেন্যু। রিসেপশনের বিশেষ সন্ধ্যার জন্য মধুমিতা বেছে নিয়েছিলেন গাঢ় লাল রঙের একটি ভারী কাজ করা সিল্ক শাড়ি।
দেবমাল্য চক্রবর্তী পরেছিলেন ধবধবে সাদা রঙের একটি শেরওয়ানি, যার বর্ডার জুড়ে ছিল সোনালি কারুকাজ। গলায় একটি স্টাইলিশ হার আর হাতে দামি ঘড়ি। অভিনেত্রীর সিঁথি রাঙানো দেবমাল্য়ের নামের সিঁদুরে।
বিয়ে থেকে রিসেপশন, ভীষণ সাদামাটা ভাবে নিজেকে সাজিয়েছিলেন অভিনেত্রী। লাল সাদা সেজে উঠেছিল গোটা বিয়ের মন্ডপ। কালীপুজোর থিমে সাজানো হয়েছিল মন্ডপ। ভোলেবাবার ত্রিশূলে সাজানো হয়েছিল রিসেপশনের আসর। মেনুতেও ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া।
মধুমিতার বিয়েতে এসেছিলেন টলিউডের নামী দামী ব্যক্তিত্বরা। সহকর্মী থেকে বয়জ্যেষ্ঠ তারকা সকলেই উপস্থিত ছিলেন এই বিয়েতে। তবে এই বিয়েতে যিনি সব থেকে বেশি নজর কেড়েছেন তিনি হলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়।

মাধবী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মধুমিতার সেই বিশেষ আলাপচারিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। টলিউড অনলাইনে পোস্ট করা ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, মাধবী মুখোপাধ্যায়কে সাদরে অব্যর্থনা জানাচ্ছেন দেবমাল্য এবং মধুমিতা।
মধুমিতা বর্ষিয়ান অভিনেত্রীর সঙ্গে স্বামীর আলাপ করিয়ে দিয়ে বলছেন, ‘কেমন লাগলো আমার বর? সুন্দর হয়েছে না?’ এই কথা শুনে মাধবী মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘খুব সুন্দর হয়েছে। তোর বিয়েতে আশীর্বাদ করতে আসবো না তা কী কখনও হয়?’
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে মধুমিতা ব্যস্ত ‘ভোলেবাবা পার কারেগা’ ধারাবাহিক নিয়ে। অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রির মানুষ নন দেবমাল্য, তিনি আইটি পেশায় যুক্ত। ছোটবেলার বন্ধু দুজনে। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বে এবার অবশেষে ভালোবাসার সিলমোহর পড়ল।