দক্ষিণ চীন সাগরে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। চীন ও রাশিয়ার পর যৌথ মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। শক্তির প্রদর্শন হিসেবে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানায় টোকিও। একই সময়ে তাইওয়ান ঘিরেও বেড়েছে উত্তেজনা।স্থানীয় সময় বুধবার (১০ ডিসেম্বর) জাপান সাগরে যৌথ মহড়া চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। চীন ও রাশিয়ার সাম্প্রতিক যৌথ মহড়ার পর শক্তির প্রদর্শন হিসেবে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয় বলে জানায় টোকিও। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বলপ্রয়োগ করে কেউ যেন একতরফা ভাবে পরিস্থিতি বদলাতে না পারে, তারা সে চেষ্টা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে থাকবে।
এর আগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার জাপানের আকাশসীমার আশপাশে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমান নিয়ে যৌথ মহড়া চালায় রাশিয়া ও চীন। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে চীনা বিমানবাহী রণতরীর আলাদা মহড়াও চলে।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি।
টোকিও’র অভিযোগ, চীনা বিমান জাপানি যুদ্ধবিমানের দিকে ‘রেডার লক’ করেছিল। যা লক্ষ্যবস্তু ধরে হামলার প্রস্তুতির মতো সংকেত দেয়। তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করে বেইজিং। তাদের দাবি, জাপানি ফাইটারই চীনা রণতরীর খুব কাছে উড়ে এসে ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এদিকে, ওয়াশিংটন এ ঘটনাকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পরিপন্থি বলে মন্তব্য করে টোকিও’র সঙ্গে তাদের মিত্রতা ‘অটল’ রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
একই সময়ে, তাইওয়ান ঘিরেও বেড়েছে উত্তেজনা। তাইপের দাবি, প্রায় প্রতিদিনই তাদের সীমানায় চীনের বিমান ও জাহাজ দেখা যাচ্ছে। এটি বেইজিংয়ের চাপ বাড়ানোর কৌশল বলে দাবি দ্বীপটির। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি গেল মাসে তাইওয়ান নিয়ে মন্তব্যের জেরে অঞ্চলটিতে শুরু হয় উত্তেজনা।