ক’দিন ধরেই খবরের শিরোনামে গায়িকা তথা সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সের দেবলীনা নন্দী। ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। তারপর সঠিক সময় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে তারপর থেকেই তাঁকে নিয়ে চর্চার শেষ নেই। গায়িকাকে নিয়ে এক প্রকার সমাজমাধ্যমে ঝড় উঠেছে। আর এর মাঝেই তাঁকে হাসপাতালে দেখতে এলেন মদন মিত্র।
তিনি দেবলীনা দেখতে এসে বলেন, ‘এই মেয়েটিকে আমি চিনি। ও কিছুদিন আগেই বনগাঁয় গিয়েছিল প্রোগ্রাম করতে। সেখানে ওঁর একটা সমস্যা হয়েছিল। কিছু অসামাজিক লোকজন ওঁর সঙ্গে অসভ্যতামি করার চেষ্টা করেছিল। সেই সময় রাত ৩টের সময় আমাকে ফোন করে। তারপর সমস্যা মিটেও যায়। এখন ও ভালো আছে। আর ঘটনাচক্রে ওঁকে যে চিকিৎসক দেখছেন, তিনি আমারও চিকিৎসা করেন। তাই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তিনি বলেছেন এখন মানসিক চাপ না নিতে।’
মদন মিত্র আরও জানান, ‘খুব বেশি মোবাইল ঘাটা যাবে না। তাতে মানসিক চাপ পড়বে। ও হয়তো মনের জোরে গান গেয়ে দেবে মঞ্চে, কিন্তু মানসিক অবসাদ কখনওই কমবে না, যতক্ষণ না মোবাইলটা কম ঘাঁটে। যেটা হয়েছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। ও একজন ভালো শিল্পী। আমরা ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’
তবে এর পর এই ঘটনার নেপথ্যে বার বার নাম উঠে আসা গায়িকার স্বামী প্রবাহর প্রসঙ্গ উঠতেই মদন মিত্র বলেন, ‘আসলে আমি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক কর্মী। ওঁর মা রয়েছেন, ওঁর বোন রয়েছেন তাঁরা ওঁর স্বামীর বিষয়ে বা কোনও ব্যক্তিগত বিষয়ে কিছুই বলেননি। ওঁর সঙ্গে কেবল অনুষ্ঠান নিয়ে কথা হয়েছে। সুস্থ হয়েই ওঁকে আমাদের জন্য একটা অনুষ্ঠান করতে বলেছি।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন দেবলীনা এবং প্রবাহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবলীনা যে ভিডিয়ো পোস্ট করেন সেখানে বেশ বোঝাই যায় তিনি শ্বশুরবাড়িকে নিয়ে চলতেই পছন্দ করেন। কিন্তু মায়ের সঙ্গে দেবলীনার সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না শ্বশুরবাড়ির সকলে বিশেষ করে স্বামী, তাই সেই চাপ সহ্য না করতে পেরে অবশেষে আত্মহত্যা রাস্তা বেছে নেন দেবলীনা।