বারবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন বৈশাখী বন্দ্য়োপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। দুজনের সাংসারিক জীবন নিয়ে লোকের উৎসাহ কম নেই। আসলে দুজনেই প্রমাণ করেছেন যে, ভালোবাসায় বয়স কখনো বাধা হতে পারে না। সঙ্গে মাথায় শোভনের নামের সিঁদুর পরলেও, আইনত এখনও তাঁর স্ত্রী হতে পারেননি বৈশাখী। এখনও তিনি ‘সহবাস সঙ্গী’। আদৌ কি বিয়ের ইচ্ছে রাখেন দুজনে? এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে কথা বলেছিলেন তাঁরা।
অনলাইনে পাওয়া হিসেব অনুসারে, ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন বৈশাখী, অর্থাৎ ২০২৬ সালের হিসেবে তাঁর বয়স ওই ৪৩-এর আশেপাশে (ইন্টারনেট থেকে উপলব্ধ তথ্য, যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা)। আর ২০২৬ সালের জুলাই মাসে শোভনের বয়স হবে ৬৩। অর্থাৎ দুজনের বয়সের ফারাক ২০ বছরের মতো। বহুদিন ধরে স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্য়ায়ের থেকে আলাদা থাকছেন শোভন। তবে আদালতে ঝুলে আছে ডিভোর্স মামলা। ২০২১ সালের দুর্গা পুজোর দশমীর দিন বান্ধবীর সিঁথি সিঁদুরে রাঙিয়ে দিয়েছিলেন শোভন। এঁয়ো স্ত্রীদের মতোই মঙ্গলসূত্র, শাঁখা-পলায় সেজে থাকতে দেখা যায় বৈশাখীকে।
ইমেজ বেঙ্গলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বৈশাখী জানিয়েছিলেন, ‘ঘটা করে আমি আর শোভন বিয়েটা করবই। আমাদের পরিকল্পনা আছে। যদি কেউ ২২ বছর ঘুরিয়ে দেয় ওর তখন ৮০ হয়, আর আমার ৬৫, তাহলেও বিয়েটা হবে।’ বৈশাখী আরও জানিয়েছিলেন যে, তিনি শোভনের নামেরই সিঁদুর পরেন। আর তাঁকে এভাবে সিঁদুর পরে দেখতে পছন্দ করেন শোভন।
সঙ্গে মজার ছলে জানিয়েছিলেন, কখনো যদি শোভনের উপর খুব রাগ হয়, তখন সিঁদুর পরেন না, গলার মঙ্গলসূত্রও খুলে ফেলেন। আর শোভন বৈশাখী-কন্যা মেহুলকে বারবার বলতে থাকেন, ‘যা মা-কে গিয়ে বল সিঁদুর পরতে, মঙ্গলসূত্র পরতে’।

বৈশাখীর কথায়, শোভন যদি তাঁকে বিয়ে করতে না চাইতেন, বা সম্পর্কটাকে নামহীন রাখতে চাইতেন, তবে সেই সম্পর্কে তিনি কখনোই থাকতেন না একসঙ্গে। শোভনের সঙ্গে থাকার কারণ কখনোই একজন ক্ষমতাশীল মানুষের ছত্রছায়ায় থাকা নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন বৈশাখী। তাঁর দাবি, ‘আমরা সিরিয়াস বলেই শোভনের শরীরখারাপ থাকা সত্বেও ডিভোর্স কেসটায় আমরা এতটা জোর দিচ্ছি’।