সদ্য নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে এক বক্তব্য দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন,’মোদী আমার ওপর খুশি নন, কারণ তাঁদের (দেশকে) দিতে হচ্ছে বেশি শুল্ক।’ এবার ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকায় নির্মিত অ্যাপাচে হেলিকপ্টারের ডেলিভারি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নাকি নরেন্দ্র মোদী ট্রাম্পকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেছেন। এখানেই শেষ নয়। ‘টারিফ কিং’ হিসাবে পরিচিত আমেরিকার এই প্রেসিডেন্ট বলছেন,’ভারত ৬৮টি অ্যাপাচে অর্ডার করেছিল, আর প্রধানমন্ত্রী মোদী আমার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন.. স্যার। আমি কি আপনার সাথে দেখা করতে পারি? হ্যাঁ।’ এমনই এক দাবি করে পুরনো কথার স্মৃতি চারণা করেন ট্রাম্প।আমেরিকায় হাউস জিওপি মেম্বার রিট্রিটে ট্রাম্প মোদী সম্পর্কে একথা বলেন। পাশাপাশি দাবি করেন তাঁর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একদিকে, যখন ট্রাম্পের তরফে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী সম্পর্কে এই বার্তা উঠে আসছে, তখন ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস একাধিক বার্তা দিচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়াদের প্রতি।
মার্কিন ভিসা নিয়ে কার্যত ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ভারতীয় পড়ুয়াদের প্রতি দিয়ে রাখল জোরালো বার্তা। এদিন মার্কিন দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে,’ মার্কিন আইন ভঙ্গ করলে আপনার স্টুডেন্ট ভিসার জন্য মারাত্মক পরিণতি হতে পারে।’ ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য মার্কিন মুলুকের সাফ বার্তা,’নিয়ম মেনে চলুন এবং আপনার ভ্রমণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। মার্কিন ভিসা একটি বিশেষাধিকার, অধিকার নয়।’ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মার্কিন দূতাবাস বলেছে যে আইনি লঙ্ঘন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গুরুতর পরিণতি’ বয়ে আনতে পারে। তাদের পোস্ট এও বলছে,’ যদি আপনি গ্রেফতার হন বা কোনও আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলে আপনার ভিসা বাতিল করা হতে পারে, আপনাকে নির্বাসিত করা হতে পারে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসার জন্য আপনি অযোগ্য হতে পারেন।’
