ছেলেবেলার বিশ্বকর্মা পুজোর স্মৃতি ভাগ খাদ্যরসিক সৌরভের

Spread the love

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরিয়ানি প্রেম নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। বিশেষ করে তাঁর প্রায় প্রতিটা ভক্তই পরিচিত দাদার এই ভালোবাসার সঙ্গে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, ছোটবেলার বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি ওড়ানো আর বিরিয়ানি খাওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন মহারাজ।

সৌরভকে প্রথমেই করলেন, বিভিন্ন ধরনের বিরিয়ানির মধ্যে সবচেয়ে পছন্দ তাঁর কলকাতা বিরিয়ানি। ‘কোনো তুলনাই হয় না কারও সঙ্গে। এটা যেন কোহলির ব্যাটিং আর কুলদীপের ব্যাটিংয়ের মধ্যে তুলনা।’আর সঙ্গে দাদা জানালেন, তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হল খোলিলের বিরিয়ানি। এবার প্রশ্ন আসতে পারে মনে যে, এই খোলিল ব্যাক্তিটি কে? দাদা জানান, খোলিল তাঁদের প্রিন্টিং প্রেসের অফিসে কাজ করত, খাম বানাত। আর তিনিই দুর্দান্ত বিরিয়ানি বানাতেন। যা খোলিল বানাতেন বিশ্বকর্মা পুজোর দিন। গঙ্গোপাধ্যায়দের পারিবারিক ট্র্যাডিশনই হল, ঘুড়ি ওড়ানো আর তারপর বিরিয়ানি খাওয়া।

‘আমাদের ঘুড়ি ওড়ানো ছিল দেখার মতো। হাজারের বেশি ঘুড়ি আসত, আমার কাকা-বাবা-দাদা-আমি, আমরা সবাই… আমাদের বড় বাড়ি তো, একেক ছাদে একেকজন দাঁড়িয়ে ঘুড়ি ওড়াতাম। সকাল থেকে সন্ধে অবধি চলত। তখন আমার বয়স কত, ওই স্কুলে পড়তাম। বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি ওড়ানো চলত বিকেল অবধি আর খোলিলের বিরিয়ানি খাওয়া। আমাদের বাড়িতে যা অনুষ্ঠান হোক, খাবার আসে মেইনল্যান্ড চায়না থেকে, আর সঙ্গে হাড়িটা থাকে। একটাই হাঁড়ি, না মিষ্টি, না চাপ, না ফিরনি, জাস্ট বিরিয়ানি।’তবে জানা যায় যে, ফিটনেস সচেতন সৌরভ খেতে যতই ভালোবাসুন না কেন, চিকেন আর মাছ ছাড়া কিছুই খান না। কার্বসও খান না। এমনকী মটন-চিংড়িও বাদ। আর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি ও ফল থাকে, যা তাঁকে ফিট থাকতে সাহায্য করে।

হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছিল সৌরভের। স্টেন্ট বসেছে। তাই এখন অনেক মেপে খাবার খেতে হয় তাঁকে। খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম করা চলে না। কিন্তু নিজের জন্মদিনে বিরিয়ানি খানই। আসলে বছরের এই একটা দিনই বিরিয়ানি ওঠে সৌরভের প্লেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *