বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী মহিলা তিনি। ঐশ্বর্যর রূপের জাদুতে বুঁদ আসমুদ্রহিমাচল। সম্প্রতি রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে সৌদি আরবে পৌঁছেছিলেন রাই সুন্দরী, আরব মরুভূমির ছবি উৎসবে রূপে ছটা ছড়িয়েছে নীল নয়না।
সেখানে হলিউড সেনসেশন ডাকোটা জনসনের সাথে একটি মজাদার ছোট্ট চ্যাট করেছিলেন, যা শীঘ্রই ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়। তবে ইভেন্টের হাইলাইট ছিল জেদ্দায় ঐশ্বর্যর মাস্টার ক্লাস, যেখানে তিনি অভিনয়ের নৈপুণ্য সম্পর্কে কথা বলেছিলেন এবং কীভাবে তিনি প্রকল্পগুলি বেছে নেওয়ার সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না তাও স্পষ্ট করেন।
হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়ার সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্য রাই বলেন, ‘আমি আরাধ্যার যত্ন নেওয়া, অভিষেকের সঙ্গে সময় কাটাতে এতটাই ব্যস্ত যে ছবিতে স্বাক্ষর না করলে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি না। নিরাপত্তাহীনতা কখনই আমার জন্য চালিকা শক্তি ছিল না।’ এই বক্তব্যের সাথেই দাম্পত্যে চিড় ধরার জল্পনাতেও ইতি টানলেন নায়িকা। বুঝিয়ে দিলেন অভিষেকের সঙ্গেই আছেন তিনি। যদিও বচ্চন পরিবারের বিশেষত শাশুড়ি জয়া বচ্চনের সঙ্গে তাঁর সমীকরণ মোটেই ইতিবাচক নয় বলেই চর্চা।
অনুষ্ঠানের একটি ভাইরাল ভিডিওতে ঐশ্বর্য ব্যাখ্যা করেছেন, ‘আমি মনে করি এটি (নিরাপত্তহীনতায় না ভোগা) আমার সত্ত্বার একটা বাস্তব দিক। নিরাপত্তাহীনতা কখনই আমার জীবনের চালিকা শক্তি ছিল না, যা আশেপাশের অনেক কণ্ঠস্বর আপনার মাথায় প্রবেশ করার চেষ্টা করতে পারে এবং কখনও আপনার কখনও পছন্দগুলি চালিত করতে পারে। এটি এমন কিছু যা আমি কখনও ছিলাম না। এটাও একটা স্পষ্টতা। আমার সমস্ত কেরিয়ার চয়েজ কিন্তু অজান্তেই।’বিশ্বজয় করে ছবির দুনিয়ায় আসেন ঐশ্বর্য। তাঁর গুরু ইরুভার পরিচালক মণিরত্নম তাঁর সাফ জানিয়েছিলেন, তিনি ঐশ্বর্যকে লঞ্চ করছেন না। তিনি একটা সিনেমা করছেন। নায়িকার মনে হয়েছিল এইরকম ছবিই তিনি করতে চান।

তিনি আরও বলেন, ‘দেবদাসের পর আমার মনে আছে, লোকেরা বলেছিল, ‘তাহলে এখন এর পরে পরবর্তী বড় চলচ্চিত্র কী? কারণ দেবদাসের চেয়েও কত বড় হতে পারে? এবং আমি ঋতুপর্ণ ঘোষের সাথে চোখের বালি করেছি। আমি বলেছিলাম, ‘বাহ! কী সুন্দর গল্প। আমি এই সিনেমাটি করতে চাই। সুতরাং, সেই অর্থে, এটি ভবিষ্যদ্বাণী নয়। অথবা সম্ভবত, এই পথেই বেছে নেওয়া দরকার। তবে আমার যাত্রায় এতদূর এসে আমি কৃতজ্ঞ। আমার কাছে আপনাদের সমস্ত ভালবাসা রয়েছে, আপনাদের সকল সমর্থন রয়েছে, আমার প্রতিভা রয়েছে’। ঐশ্বরিয়াকে শেষবার দেখা গিয়েছিল পোন্নিয়িন সেলভান: পার্ট টু-তে।