India’s new foreign secretary: ডোভালের ডেপুটি হচ্ছেন জয়শংকরের নয়া ‘অস্ত্র’! 

Spread the love

অজিত ডোভালের(Ajit Doval) ডেপুটি আছেন। তিনি হতে চলেছেন এস জয়শংকরের(S Jaisankar) নয়া ‘অস্ত্র’। কারণ ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিক্রম মিসরিকে এবার বিদেশ সচিব হিসেবে নিয়োগ করল কেন্দ্রীয় সরকার।

ছ’মাসের ‘এক্সটেনশন’-এ তিনি দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আগামী ১৫ জুলাই থেকে ভারতের বিদেশ সচিব হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন ১৯৮৯ ব্যাচের ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আইএফএস অফিসার)। অর্থাৎ আপাতত যিনি ডোভালের কাছে ‘রিপোর্ট’ করেন, আগামী মাসের ১৫ তারিখ থেকে তিনি ‘রিপোর্ট’ করবেন জয়শংকরের কাছে। শুক্রবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে যে আগামী ১৪ জুলাই ভারতের বিদেশ সচিব হিসেবে বিনয় কোয়াত্রার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। আগেই তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল।

চিনের দিকে তাকিয়েই কি মিসরিকে বিদেশ সচিব করা হল?

বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকদের মতে, চিনে কাজ করার সুবাদে প্রতিবেশী দেশকে হাতের তালুর মতো চেনেন মিসরি। স্বভাবতই নয়া বিদেশ সচিব হিসেবে তিনি প্রথম পছন্দ ছিলেন। যা বৈদেশিক নীতির নিরিখে এই মুহূর্তে ভারতের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং বিষয়। তাই অভিজ্ঞ একজনকেই বিদেশ সচিব করা হল বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

বিক্রম মিসরি কে আদতে?

১) ১৯৬৪ সালে কাশ্মীরের শ্রীনগরে জন্মগ্রহণ করেন মিসরি। তবে ছেলেবেলায় পড়াশোনা করেছিলেন গোয়ালিয়রে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত হিন্দু কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক হয়েছিলেন। এমবিএ করেছিলেন তিনি। ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস অফিসার হওয়ার আগে তিন বছর বিজ্ঞাপন জগতে ছিলেন।

২) তিনজন প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন মিসরি – ইন্দ্রকুমার গুজরাল (১৯৯৭ সাল), মনমোহন সিং (২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল) এবং নরেন্দ্র মোদী (২০১৪ সালের মে থেকে ২০১৪ সালের জুলাই)।

৩) একাধিক দেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত থেকেছেন মিসরি। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত স্পেনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তারপর মায়ানমারে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন মিসরি। ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সেই দায়িত্বে ছিলেন।

৪) বেলজিয়াম, পাকিস্তান, আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা এবং জার্মানির মতো দেশেও একাধিক গুপুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

৫) ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চিনে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন মিসরি। যে সময় পূর্ব লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারত এবং চিনের সংঘাত চরমে উঠেছিল। ২০২০ সালের জুনে গালওয়ানে সংঘর্ষের সময় তিনি চিনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। সেইসময় নয়াদিল্লি এবং বেজিংয়ের মধ্যে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *