Mamata Writes to EC। অনেক সময়ই ‘জারি করা নির্দেশ পরস্পরবিরোধী..’

Spread the love

রাজ্যজুড়ে চলছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বা এসআইআর। শুরু হয়ে গিয়েছে তার শুনানি পর্ব। তারই মাঝে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক কড়া চিঠি লিখেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। চিঠিতে একাধিক অভিযোগ তোলেন মমতা।

এর আগে ২০ নভেম্বর ২০২৫, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠানোর কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে এই তৃতীয় চিঠিতে কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অবিযোগ তোলেন মমতা। চিঠিতে মমতা অভিযোগ তোলেন, খুবই তাড়াহুড়ো করে এই গোটা প্রক্রিয়া চলছে। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড ওয়ার্কের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মমতা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ‘অযথা তাড়াহুড়ো’ এবং ‘পর্যাপ্ত ভিত্তির অভাব’ গুরুতর ত্রুটির সৃষ্টি করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ত্রুটিপূর্ণ আইটি সিস্টেম, অসঙ্গত নির্দেশাবলী এবং অনুশীলনের দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ।

চিঠিতে মমতা লিখেছেন, ‘এই সংবেদনশীল সাংবিধানিক দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের যথাযথ বা অভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি… সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশাবলী অসঙ্গত এবং অনেক সময় পরস্পরবিরোধী, এবং ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং এর রাজ্য-স্তরের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্টতা এবং পরিকল্পনার সম্পূর্ণ অভাব রয়েছে।’ চিঠিতে মমতা একাধিক অভিযোগ তোলার পর লেখেন,’পূর্বোক্ত বিষয়গুলির পরিপ্রেক্ষিতে, আমি আপনাকে দৃঢ়ভাবে অনুরোধ করছি যে আপনি অবিলম্বে ত্রুটিগুলি সমাধান করুন এবং সংশোধন করুন, ত্রুটিগুলি সমাধান করুন এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করুন।’ পাশাপাশি হিয়ারিং নিয়েও সরব হন মমতা। তিনি লেখেন, ‘ভোটারদের নির্দিষ্ট কারণ না-জানিয়েই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এর ফলে কোনও কারণ ছাড়়াই ভোটারদের মনে ভয় তৈরি হচ্ছে এবং তাঁরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন।’ হিয়ারিংএর সময় বিএলএ-দের ঢুকতে না দেওয়ার নিয়ম নিয়েও সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখছেন,’এনুমারেশন পর্বে (বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়া এবং নেওয়া) বিএলএ-রা সক্রিয় ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।’ এরই সঙ্গে তিনি লেখেন,’ অবাক করা বিষয়, শুনানি প্রক্রিয়ায় তাঁদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হল না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *