নতুন বছরের শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক আঙিনায় একাধিক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা ঘিরে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতির উঠোনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিকে, বছরের শুরুতেই চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে বিশেষ বৈঠক হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিবাদে অশান্ত রয়েছে ইরান, সেখানে বহুদিন ধরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে আমেরিকা। অশান্ত রয়েছে ভোটমুখী বাংলাদেশ। এদিকে, আবার সদ্য পাকিস্তানের আইএসপিআর-র তরফেও একটি হুমকি বার্তা এসেছে ভারতের উদ্দেশে। এই যাবতীয় ঘটনার মাঝে এবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সদ্য, নরেন্দ্র মোদী, এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, তিনি ফোনে কথা বলেছেন, তাঁর বন্ধু নেতানিয়াহুর সঙ্গে। পোস্টে মোদী লেখেন,’আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাথে কথা বলতে পেরে এবং তাঁকে এবং ইজরায়েলের জনগণকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আনন্দিত। আমরা আগামী বছরগুলিতে ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি।’ এরই সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে মোদী লেখেন,’ আমরা আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও মতামত বিনিময় করেছি এবং আরও দৃঢ় সংকল্পের সাথে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের যৌথ সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেছি।’
এদিকে, সদ্য চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে এক হাইভোল্টেজ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশই আফগানিস্তানের মাটিতে থাকা সন্ত্রাস নিয়ে রণহুঙ্কার দেয়। এরপর সদ্য পাকিস্তানের আইএসপিআর-র তরফে বলা হয়েছে,’আমাদের ভাগ্য আমাদের নিজের হাতে। রাজনৈতিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই আমাদের নেতৃত্বের সম্পূর্ণ স্পষ্টতা রয়েছে। আমরা সবসময় বলি পাকিস্তান ঈশ্বরের দান। তুমি যা করতে চাও তাই করো। যেখান থেকে আসতে চাও, সেখানেই এসো। একা এসো অথবা কারো সাথে এসো। মজা না পেলে টাকা ফেরত।’ এদিকে, আবার গাজায় শান্তিসেনা পাকিস্তান পাঠাবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে বিশ্বমঞ্চে চর্চা। আজারবাইজার জানিয়েছে তারা সেনা পাঠাবে না। তুরস্কের এরদোয়ান বলছেন, তুরস্ক সেনা না পাঠালে গাজায় শান্তি আসবে না। ইজরায়েল বনাম হামাসের সংঘাতের প্রেক্ষিতে এই বিষয়গুলিও বেশ তাৎপর্য পাচ্ছে।এরই মাঝে ফের একবার মোদীকে নিয়ে মুখ খুলেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সদ্য বলেন,’ তাঁর (প্রধানমন্ত্রী মোদী) সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। তিনি আমার উপর খুব একটা খুশি নন কারণ তাঁরা এখন অনেক শুল্ক দিচ্ছেন।’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রচ্ছন্ন বার্তা ছিল, ফের ভারতের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপের। এমন এক প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর সঙ্গে মোদীর ফোনালাপ বেশ তাৎপর্যবাহী।
