ইডির বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এই আবহে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। প্রতীকের বাড়ি থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযান চালানো ইডি আধিকারিকদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, শেক্সপিয়র সরণি থানা ও সল্টলেকের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ইডি হানার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় আসেন মুখ্যমন্ত্রী। খালি হাতে ঢুকে যান প্রতীকের বাড়িতে। তারপর সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন। সেখানে তৃণমূলের হার্ডডিস্ক, কৌশল সংক্রান্ত নথি আছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস থেকে একগুচ্ছ নথি তোলা হয় গাড়িতে। পরে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাগজ, নথি, ফাইল পড়েছিল। সেগুলো তৃণমূলের কাগজপত্র। সেগুলিই গাড়িতে তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে আইপ্যাকের থেকে কোনও জিনিস বাজেয়াপ্ত করলে ইডি অফিসারদের গ্রেফতার করা হবে – পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার নাকি এমনই হুঁশিয়ারি দেন বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তল্লাশির সময় ঘটনাস্থলে রাজ্য পুলিশের ডিজি উপস্থিত ছিলেন। তিনি নাকি ইডি আধিকারিকদের বলেন যে পঞ্চনামায় যেন কোনও কিছুর উল্লেখ না করা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার তিন আধিকারিককে বলেন যে ইডি যেন দেখায় যে তল্লাশি অভিযান থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। সেই কাজটা না করলে তাঁদের গ্রেফতার করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এমনিতে ইডি কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা দায়ের করেছে, তাতে ‘পার্টি’ করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিকেও।
