SC on Sharjeel Imam & Umar Khalid। দিল্লি দাঙ্গা মামলায় শারজিল ইমাম ও উমর খালিদের জামিনে ‘না’

Spread the love

দিল্লি দাঙ্গায় অভিযুক্ত উমর খালিদ ও শারজিল ইমামকে জামিন দিতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট। একই মামলায় আরও পাঁচ আসামিকে স্বস্তি দিলেও সবচেয়ে আলোচিত দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় রেখেই আদালত এই রায় দিয়েছেন। শারজিল এবং উমরের জামিনের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের যুক্তি ছিল, তারা ষড়যন্ত্র করেছিল এই দাঙ্গার। সঙ্গে তাদের কাজকে সন্ত্রাসবাদ বলে আখ্যা দিয়েছিল। সেই যুক্তি মেনে নিয়েছে আদালত। আদালত জানিয়েছে, দাঙ্গা পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রে তাদের ভূমিকা থাকার ইঙ্গিত মিলেছে সংগ্রহিত তথ্যপ্রমাণ থেকে।

এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর এই জামিন মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। তারপরে বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এনভি আনজারিয়ার একটি বেঞ্চ রায় সংরক্ষণ করে। আজ সেই রায় ঘোষণা করা হল। সুপ্রিম কোর্টে দিল্লি পুলিশ বলেছিল সেই দাঙ্গা দেশের সার্বভৌমত্বের উপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা ছিল। দিল্লি পুলিশের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং এটি কেবল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে আন্দোলন ছিল না। এদিকে শারজিল ইমাম বলেছিল, মুসলিমরা ৩০ শতাংশ হয়েও সশস্ত্র বিদ্রোহের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। সেই কথারও উল্লেখ করেছিলেন তুষার মেহতা। দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, সিএএ আন্দোলন আসলে শারজিল ইমাম, উমর খালিদদের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টা ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি সফরের কথা মাথায় রেখে বিক্ষোভ সংগঠিত করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন সাম্প্রদায়িক হিংসা শুরু হয়েছিল। সেই দাঙ্গায় ৫৩ জন নিহত হয়েছিলেন। সেই দাঙ্গায় ষড়যন্ত্রকারী আখ্যা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল উমর ও শারজিলকে। প্রায় ছ’বছর ধরে তারা জেলে বন্দি। জামিনের আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিল উমর এবং শারজিল। তবে তা খারিজ হয়ে যায়। এরপরই সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। আজ সেখানেও ধাক্কা খেল তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *