এবার প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খানের হয়ে মুখ খুললেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ইমরান খানকে আন্তর্জাতিক মানের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সুনীল গাভসকর, কপিল দেব সহ বহু কিংবদন্তি পাকিস্তান সরকারকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই পদক্ষেপ একদমই সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন সৌরভ। সৌরভ বলেন, ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা ইমরান খান অধিনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাকিস্তানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রাক্তন অধিনায়কদের (সুনীল, কপিলদের) আবেদন সঠিক পদক্ষেপ। আমি আশা করি ইমরানের স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে এবং তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাবেন। তিনি প্রথমে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাই তাঁর যত্ন নেওয়া উচিত। আমি আশা করি সেটাই ঘটবে।’ উল্লেখ্য, বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৯৯২ বিশ্বকাপ বিজয়ী দলের অধিনায়ক ইমরান খান রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এর জেরে তিনি ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৩ সালের অগস্ট থেকে ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবি জেলবন্দি। একাধিক দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন পাক অধিনায়ক বর্তমানে ৩১ বছরের সাজা ভোগ করছেন।
এই আবহে প্রায় ১৪ জন প্রাক্তন অধিনায়ক পাকিস্তান সরকারকে ‘প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধিনায়কদের আবেদন’ শিরোনামে একটি চিঠি লিখেছেন। সুনীল গাভাসকর, কবিল দেব ছাড়াও গ্রেগ চ্যাপেল, মাইক আর্থারটন, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল বেয়ারলি, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্দা ক্লার্ক, ডেভিড গোয়ার, কিম হিউজেস, নাসের হুসেন, ক্লাইভ লয়েড, স্টিভ ওয়া, জন রাইটের মতো কিংবদন্তিরা এই আবেদনপত্র লিখেছেন। তবে পাকিস্তানের কোনও প্রাক্তন অধিনায়ক এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি। চিঠিতে প্রাক্তন অধিনায়কেরা লিখেছেন, ‘সহকর্মী ক্রিকেটার হিসেবে আমরা জানি, ন্যায্যতা, সম্মান ও মর্যাদা এই মূল্যবোধগুলি খেলার মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে যায়। ইমরান খানের মতো ব্যক্তিত্ব, যিনি একজন প্রাক্তন জাতীয় নেতা এবং বিশ্ব ক্রীড়া আইকন, তাঁর প্রাপ্য সম্মান ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা উচিত।’
