Supreme Court Rohingya Case Update। রোহিঙ্গা মামলায় CJI-এর পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে ‘প্রচার’

Spread the love

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী সংক্রান্ত একটি মামলার সাম্প্রতিক শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত উল্লেখযোগ্য এক পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। আর এরপর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ‘প্রচার’ চালানো হচ্ছে। এভাবে জাস্টিস কান্তের বিরুদ্ধে ‘প্রচারের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন একদল প্রাক্তন বিচারপতি। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা প্রকাশ্য বিবৃতি জারি করে বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট অবমাননা অগ্রহণযোগ্য।

উল্লেখ্য, এর আগে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত মামলার শুনানির দিন আবেদনকারীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আপনারা কি চান আমরা তাদের জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দিই? যারা দেশে অবৈধভাবে ঢুকে পড়েছে, তাদের জন্য বিচারসভা দারুণ কোনও রক্ষাকবচ দেবে, এটাই কি আবেদনকারীরা চান?’ তিনি আরও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, ‘উত্তর ভারতে আমাদের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত রয়েছে। যদি কোনও অনুপ্রবেশকারী অবৈধভাবে প্রবেশ করে, তবে তাদের এখানে রাখার কি আমাদের বাধ্যবাধকতা আছে?’ এরপরই জাস্টিস কান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন কিছু বিচারপতি এবং আইনজীবীরা। আর তাদেরই বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন বিচারপতিরা।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর একটি খোলা চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিচার বিভাগীয় তদন্ত পক্ষপাতদুষ্ট। সেই চিঠির জবাবেই প্রাক্তন বিচারপতিরা বলেন, ‘গত ৫ ডিসেম্বর, কিছু প্রাক্তন বিচারক, আইনজীবী এবং ক্যাম্পেইন ফর জুডিশিয়াল অ্যাকাউন্টিবিলিটি অ্যান্ড রিফর্ম (সিজেএআর) একটি খোলা চিঠি জারি করেছিল। ভারতে হেফাজতে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগের একটি আবেদনের শুনানি করে সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ ২ ডিসেম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্পর্কে করা কিছু পর্যবেক্ষণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল সেই খোলা চিঠিতে। তবে এভাবে আদালত অবমাননা গ্রহণযোগ্য নয়।’

জাস্টিস কান্তের পক্ষে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা যা দেখছি তা মতবাদগত মতবিরোধ নয়, বরং নিয়মিত আদালতের কার্যক্রম এবং বিচার বিভাগকে ‘অবৈধ’ হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা। প্রধান বিচারপতি সবচেয়ে মৌলিক আইনি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। আর তার জন্য তাঁকে নিশানা করা হচ্ছে।’ এই বিবৃতিতে ৪০ জনেরও বেশি প্রাক্তন বিচারক স্বাক্ষর করেছেন। তাঁরা বলেন, ‘আমরা সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতির প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করছি, আদালতের পর্যবেক্ষণকে বিকৃত করার প্রচেষ্টার নিন্দা জানাচ্ছি। দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থায় মানবিকতা এবং সতর্কতা উভয়েরই প্রয়োজন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *