Suvendu on Anandapur Fire। মোমো কারখানায় আগুনে মৃত এবং নিখোঁজরা হিন্দু বলেই…

Spread the love

আনন্দপুরের মোমো কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নামলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ হাইকোর্টের অনুমতিতে আনন্দপুরে মিছিল করেন শুভেন্দু। সেই মিছিলে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শোন যায় বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং নেতাদের। মোমো কারখানার মালিকের গ্রেফতারি থেকে শুরু করে দমকলমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তোলেন শুভেন্দু।

আজ শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত বা নিখোঁজদের সবাই হিন্দু বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলদোল নেই। শুভেন্দু আজ বলেন, ‘নিখোঁজদের খুঁজে দিতে হবে। ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সরকারি চাকরি দিতে হবে। এর পিছনে যারা রয়েছে, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। ওই মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার করতে হবে।’ বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, ‘এই সরকার দুর্নীতি করছে, অমানবিক কাজ করছে। সরকারের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে বিজেপি এবং সাধারণ মানুষ আওয়াজ তুলেছে। এই গণহত্যার মূল কারিগর, মোমো সংস্থার মালিকের সঙ্গে মমতা বিদেশ ভ্রমণ করে এসেছেন। তাঁকে বাঁচাচ্ছেন মমতা। আর এখানে জলাভূমি। কীভাবে এখানে এনওসি পাওয়া গেল। কীভাবে বিল্ডিং তৈরির অনুমতি দেওয়া হল? টিএমসির সাথে সব মিলে রয়েছে। পুলিশ কাটমানি পায়।’

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী এখনও কেন আনন্দপুরে কেন যাননি? তা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘যারা এই মোমো কারখানায় মারা গিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁরা সকলে হিন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্ক তাঁরা নন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে আসেননি।’ এদিকে আনন্দপুরে গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে গ্রেফতারি বেড়ে ৩ হয়েছে। ডেকোরেটার গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসের পর এবার মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানা।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে আনন্দপুরে মোমোর কারখানায় আগুন লেগেছিল। সেই ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি ঝলসে যাওয়া মৃতদেহ। সব মিলিয়ে মোট ২৫ জন নিখোঁজ বা মৃত এই দুর্ঘটনায়। আগুন লাগার ১০ ঘণ্টা পরে সেখানে গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে গোটা ২৬ জানুয়ারি দেখা মেলেনি দমকলমন্ত্রীর। তিনি অগ্নিকাণ্ডের ৩২ ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, মোমো তৈরির কারখানায় প্রচুর পরিমাণ পামতেল মজুত করা ছিল। তা থেকেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। আগুন যখন লাগে, সেই সময় নাইট শিফট চলছিল। এদিকে কারখানায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *