সাহিত্যিক, গবেষক, সঙ্গীতজ্ঞ, তাঁতশিল্পী, নাট্যকার থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক- পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট ১১ জন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১১ জন পদ্মশ্রী পেয়েছেন। তাঁরা হলেন মালদার সাহিত্যক অশোককুমার হালদার, দার্জিলিংয়ের শিক্ষাবিদ গম্ভীর সিং ইয়ংজোন, নাট্যকার হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, সঙ্গীতজ্ঞ কুমার বসু, গবেষক মহেন্দ্রনাথ রায়, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাঁওতালি সাহিত্যিক রবিবাল টুডু, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সরোজ মণ্ডল, সঙ্গীতজ্ঞ তরুণ ভট্টাচার্য এবং নকশি কাঁথা শিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়। তবে এবার বাংলার কেউ পদ্মবিভূষণ বা পদ্মভূষণ পাননি।
পশ্চিমবঙ্গ থেকে কে কে পদ্মশ্রী পেলেন?
১) অশোককুমার হালদার (সাহিত্য এবং শিক্ষা)।
২) গম্ভীর সিং ইয়ংজোন (সাহিত্য এবং শিক্ষা)।
৩) হরিমাধব মুখোপাধ্যায় (কলা) (মরণোত্তর)।
৪) জ্যোতিষ দেবনাথ (কলা)।
৫) কুমার বসু (কলা)।
৬) মহেন্দ্রনাথ রায় (সাহিত্য এবং শিক্ষা)।
৭) প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (কলা)।
৮) রবিলাল টুডু (সাহিত্য এবং শিক্ষা)।
৯) সরোজ মণ্ডল (চিকিৎসা)।
১০) তরুণ ভট্টাচার্য (কলা)।
১১) তৃপ্তি মুখোপাধ্যায় (কলা)।

পদ্মশ্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত বাগডোগরার গবেষক
আর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হওয়ার পরে সংবাদসংস্থা আইএএনএসে মহেন্দ্রনাথবাবু বলেছেন, ‘এটা সরকারের খুব ভালো উদ্যোগ। সেলফ নমিনেশনের মাধ্যমে আমি আবেদন করেছিলাম। আর এই সম্মান পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। আমি এটাই বলতে চাই যে আমি সবসময়ই শিক্ষকতা এবং গবেষণার প্রতি দায়বদ্ধ থেকেছি। এটা আমার দায়িত্ব, এটা আমার কর্তব্য। একদিনের জন্যও সেই দায়িত্ব বা কর্তব্যের অবহেলা করিনি। আমি সবসময় আমার আন্তরিকতা এবং সততার উপরে আস্থা রেখেছি। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে আমার মূল্যবোধ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারেন না।’