মুখে বড়-বড় ডায়লগ, বাস্তবে লবডঙ্কা- একবাক্যে অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সকে ব্যাখ্যা করতে গেলে এটাই বলতে হয়। আর তার পরিণতি যা হওয়ার, সেটাই হল। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১-৪ ব্যবধানে দুরমুশ হয়ে গেলেন ইংরেজরা। অ্যাডিলেডে ০-৩ হওয়ার পরে এমনিতেই লজ্জায় ডুবে গিয়েছিলেন তাঁরা। মেলবোর্নে কিছুটা মর্যাদা ফিরে পেলেও সিডনিতে সেটাও গেল। হেরে গেল পাঁচ উইকেটে। ফলে এত ডায়লগ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় এসে অজিভূম থেকে লজ্জা নিয়ে ফিরছে ইংল্যান্ড। তবে তাতে ভারতেরই ভালো হয়েছে। নাহলে ইংল্যান্ড যদি অস্ট্রেলিয়ায় জিতে যেত, তাহলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) পয়েন্ট তালিকায় টিম ইন্ডিয়া পিছিয়ে পড়ত। নেমে যেত সাত নম্বরে। এখন ভারত জঘন্য জায়গায় থাকলেও আরও লজ্জার মুখে পড়তে হয়নি।
WTC-র পয়েন্ট টেবিলে কোন দল কোথায় আছে?
১) অস্ট্রেলিয়া: আটটি টেস্ট খেলেছে অজিরা। সাতটিতে জিতেছে। একটিতে হেরে গিয়েছে। ঝুলিতে আছে ৮৪ পয়েন্ট। পয়েন্ট পার্সেন্টেজ (পিসিটি) হল ৮৭.৫।
২) নিউজিল্যান্ড: পিসিটি হল ৭৭.৭৮। মোট তিনটি টেস্ট খেলেছে। জিতেছে দুটিতে। ড্র করেছে একটি টেস্টে। ঝুলিতে মোট ২৮ পয়েন্ট আছে।
৩) দক্ষিণ আফ্রিকা: চারটি টেস্ট খেলেছে। তিনটিতে জিতেছে। একটিতে হেরে গিয়েছে। ঝুলিতে আছে ৩৬ পয়েন্ট। পিসিটি হল ৭৫ শতাংশ।
৪) শ্রীলঙ্কা: দুটি ম্যাচ খেলেছে। একটি ম্যাচে জিতেছে। ড্র করেছে একটি টেস্টে। ১৬ পয়েন্ট আছে। পিসিটি হল ৬৬.৬৭।
৫) পাকিস্তান: মোটে দুটি টেস্ট খেলেছে। একটিতে জিতেছে। হেরে গিয়েছে অপর টেস্টে। পিসিটি হল ৫০। ঝুলিতে আছে ১২ পয়েন্ট।
৬) ভারত: এখনও পর্যন্ত চতুর্থ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সর্বাধিক ম্যাচ খেলেছে ভারত। চারটিতে জিতেছে। হেরে গিয়েছে চারটি টেস্টে। একটি টেস্টে ড্র করেছে। ঝুলিতে আছে ৫২ পয়েন্ট। পিসিটি হল ৪৮.১৫।
৭) ইংল্যান্ড: এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ড। তিনটি টেস্টে জিতেছে। হেরে গিয়েছে ছ’টি টেস্টে। একটি টেস্টে ড্র করেছে। ইংরেজদের ঝুলিতে আছে মোট ৩৮ পয়েন্ট। পিসিটি হল ৩১.৬৭।

৮) বাংলাদেশ: আট নম্বরে আছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের মতোই মোটে দুটি টেস্ট খেলেছে। একটি টেস্টে হেরে গিয়েছে। অপর টেস্টে ড্র করেছে। ঝুলিতে আছে চার পয়েন্ট। পিসিটি ১৬.৬৭।
৯) ওয়েস্ট ইন্ডিজ: আটটি টেস্ট খেলেছে। হেরে গিয়েছে সাতটি টেস্টে। ড্র করেছে একটিতে। ঝুলিতে চার পয়েন্ট আছে। পিসিটি হল ৪.১৭।