যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি ঘিরে নতুন করে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার কেন্দ্রীয় আদালতে মামলা করেছে একাধিক নাগরিক অধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্ত দশকের পর দশক ধরে চলে আসা মার্কিন অভিবাসন আইনের মূল ভিত্তিকেই দুর্বল করে দিচ্ছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের অভিবাসীদের জন্য অনির্দিষ্টকালের জন্য অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এবার এই অভিবাসন নীতি ঘিরে নতুন করে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প প্রশাসন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে কেন্দ্রীয় আদালতে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে, তা অবিলম্বে স্থগিত করা প্রয়োজন।
মামলাকারীদের দাবি, কোনো আইনি বা বাস্তব ভিত্তি ছাড়াই এই ভিসা প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে। এতে পরিবার বিচ্ছিন্নতা ও পেশাজীবীদের কর্মজীবনে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মামলায় বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যে যুক্তি দেখাচ্ছে, এই দেশগুলোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি ভাতা বা কল্যাণ সুবিধার ওপর নির্ভর করবে– তার কোনো প্রমাণ নেই। নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এই ধারণা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি বৈষম্যমূলক নীতিরই প্রতিফলন।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। মুখপাত্র বলেন, ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি সুযোগ। তার দাবি, এই নীতির মাধ্যমে বিলিয়ন ডলারের অপচয়, জালিয়াতি ও অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।
তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ও ২০২৮ অলিম্পিক সামনে রেখে পর্যটক ভিসার ওপর এই নীতি প্রযোজ্য নয়।