বলিউডের চর্চিত বিবাহিত জুটির মধ্যে অন্যতম হলেন অমিতাভ ও জয়া বচ্চন। বিয়ের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে ৫২। নানা ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পরেও, তাঁদের বন্ধন আরও মজবুত হয়েছে। অনেকটা ফিল্মি কায়দায় গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তাঁরা। ঠিক যেন, ‘ওঠ ছুড়ি তোর বিয়ে’! জানেন কি, অিতাভ-জয়ার বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলেন মাত্র ৫ জন।
অমিতাভ ও জয়ার প্রেম নিয়ে সেই সময় কম জলঘোলা হয়নি। এমনকী পরিবারের চাপে পড়ে খুব কম সময়ে বিয়ের সমস্ত আয়োজন করতে হয়েছিল তাঁদেরকে। সেই বিয়েতে নিমন্ত্রিত ছিলেন মাত্র ৫ জন।
জয়া ভাদুড়ি প্রথমবার ফিল্ম ইন্সটিটিউটে অমিতাভকে দেখেছিলেন। জয়া অমিতাভ বচ্চনকে দেখেই মুগ্ধ হয়েছিলেন, কারণ তিনি মহান লেখক হরিবংশ রায় বচ্চনের ছেলে ছিলেন। কিন্তু অমিতাভের মনে সেই সময় খুব একটা ছাপ ফেলতে পারেননি জয়া। এরপর ম্যাগাজিনে ছাপা হওয়া, জয়ার একটা ছবি দেখে অমিতাভ প্রেমে পড়ে যান। এরপর একসঙ্গে ‘গুড্ডি’ ছবির সেটে দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। ‘জঞ্জির’ ছবির শুটিংয়ের সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সূত্রপাত হয়। ছবিটি হিট হওয়ার পর তাঁরা লন্ডন যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।অমিতাভ যখন তার বাবা হরিবংশের কাছে অনুমতি নিতে যান, তখন তিনি বলেন যে যদি জয়াকে সঙ্গে নিয়ে যান, তাহলে তাঁকে সেটা বিয়ে করে বউ হিসেবে নিয়ে যেতে হবে। তখন অমিতাভ এবং জয়ার দ্রুত বিয়ে হয়। জয়ার পিতা এই বিয়েতে খুশি ছিলেন না, কারণ অমিতাভ-জয়ার ১৯৭৩ সালে হওয়া এই বিয়েটা ভীষণ তাড়াহুড়ো করে হয়েছিল।

কাজের সূত্রে, অমিতাভ বচ্চনকে শেষ দেখা গিয়েছে কল্কি ২৮৯৮ সিনেমায়। ছবির প্রথম অংশটি পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন প্রভাস ও দীপিকা পাড়ুকোন। কিন্তু জানা গিয়েছে, দীপিকা এই প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর তার জায়গায় দ্বিতীয় পার্টে এসেছেন সাঁই পল্লবী। শীঘ্রই এর কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া অমিতাভ তাঁর টিভি শো কৌন বনেগা ক্রোড়পতির নতুন সিজন নিয়েও ব্যস্ত থাকবেন।