অরিজিৎ সিংয়ের জিয়াগঞ্জের বাড়িতে চুপিচুপি হাজির এই টলি তারকা

Spread the love

মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জ এখন যেন তারকাদের মিলনস্থল। বলিউড প্লে-ব্যাক মিউজিককে গত মাসেই অলবিদা জানিয়েছেন অরিজিৎ। তারপর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে গায়ক। তাঁর এই অকাল অবসর হজম হচ্ছে না শ্রোতাদের। মাথায় হাত মিউজিক কম্পানিগুলোর। কারণ অরিজিৎ এই মুহুর্তে প্লেব্যাকের দুনিয়ার বেতাজ বাদশা।

কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অটল গায়ক। সপ্তাহখানেক আগেই বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খান অরিজিৎ সিং-এর বাড়িতে এসে চার দিন কাটিয়ে গিয়েছিলেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অরিজিতের অতিথি হলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত এবং খ্যাতনামা সঙ্গীত পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত।

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে জিয়াগঞ্জে অরিজিতের বাড়িতে পৌঁছন যিশু ও ইন্দ্রদীপ। যদিও তাঁরা খুব বেশি সময়ের জন্য সেখানে থাকবেন না বলেই জানা যাচ্ছে।

কেন এই ঝটিকা সফর?

আমির খানের সফরের নেপথ্যে ছিল তাঁর পুত্র জুনায়েদের ‘এক দিন’-এর গানের রেকর্ডিং। যার কমিটমেন্ট আগেই সেরেছিলেন অরিজিৎ। অবসরের ঘোষণার পর গায়ক স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, এই বছর আরও বেশকিছু ছবিতে তাঁর গান শোনা যাবে, যেই কাজগুলো আগেই হাতে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু যিশু এবং ইন্দ্রদীপের এই সফরের কারণ নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে জল্পনা চলছে যে, সম্ভবত আসন্ন কোনও মিউজিক প্রোজেক্টের আলোচনার জন্য হাজির তাঁরা। অথবা ইন্দ্রদীপের সঙ্গে হয়ত আগেই কোনও ছবির গানের কথা পাকা ছিল অরিজিৎ-এর। কিংবা এমনও হতে পারে, অরিজিতের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানোও তাঁদের এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে।

ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তর সঙ্গে অরিজিৎ–এর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সঙ্গীত পরিচালকের সব ছবিতেই গান থাকে অরিজিৎ-এর। গায়কের বোন অমৃতাও ইন্দ্রদীপের সঙ্গে কাজ করছেন দীর্ঘদিন।

জিয়াগঞ্জ যখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু:

সাধারণত তারকারা মুম্বই বা কলকাতার স্টুডিয়োতে কাজ সারেন। কিন্তু অরিজিৎ সিং তাঁর শিকড় জিয়াগঞ্জেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আমির খানের মতো বড় মাপের তারকার পর যিশু ও ইন্দ্রদীপের আগমনে জিয়াগঞ্জবাসীর মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। প্রিয় গায়ক ও অভিনেতাদের একঝলক দেখতে অরিজিতের বাড়ির সামনে ভিড় জমাচ্ছেন অনুরাগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার, টলিপাড়ার এই দুই দিগ্গজকে নিয়ে অরিজিৎ নতুন কী চমক নিয়ে আসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *