ইউক্রেন যুদ্ধের চতৃর্থ বার্ষিকীতে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়ার জন্য সামরিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক এক্স বার্তায় ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘একদিন রাশিয়ানরা তাদের নামে সংঘটিত অপরাধের মাত্রা, যে অজুহাতগুলো দেয়া হয়েছে তার অকার্যকারিতা এবং দেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদী বিধ্বংসী প্রভাব উপলব্ধি করবে।’
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের চতৃর্থ বার্ষিকীতে দেশটির সমর্থনে কিয়েভ সফর করছেন ইউরোপীয় নেতারা। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি অ্যান্টোনিও কস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লিয়েন কিয়েভে পৌঁছেছেন।
ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসনসহ বেশ কয়েকজন নর্ডিক ও বাল্টিক নেতাও কিয়েভ সফর করছেন। তাদের স্বাগত জানিয়েছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা।
ইউরোপীয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে এক্স-এ এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় মিত্রবৃন্দ, কিয়েভে আপনাদের স্বাগতম। রাশিয়ার বর্বর যুদ্ধে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।’
রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকে এটি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ভন ডার লিয়েনের দশম সফর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, তিনি এখানে এসেছেন ‘ইউক্রেনের ন্যায্য লড়াইয়ের প্রতি আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতি জোরদার করতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জনগণ এবং আক্রমণকারী রাশিয়ার কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছাতে এসেছি, আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত থামব না। শান্তি হবে ইউক্রেনের শর্তে।’

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে পূর্ণ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধের মধ্যদিয়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘাতে রূপ নেয়। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এই যুদ্ধ পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। এই সংঘাতের শুরু থেকেই ইউক্রেন সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে ইউরোপ।