ইরানে হামলার পরিকল্পনা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

Spread the love

ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে হুমকি আর চাপ বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তেহরানে হামলার ইঙ্গিতের পর প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও জানিয়েছেন, সীমিত হামলার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানকে চাপে রাখতে সীমিত হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউস। তবে তেহরানকে অবশ্যই একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। তা না হলে খারাপ কিছু ঘটতে পারে বলেও সতর্ক করেন ট্রাম্প।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টাও এই পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা এখন উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি টানা সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে। এক্ষেত্রে ইরানের নিরাপত্তা স্থাপনা ও পারমাণবিক অবকাঠামোতে হামলা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকে অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এমএস নাউ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট-ইরান সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি ও কূটনৈতিক সমাধাণের জন্য প্রস্তুত তেহরান। এছাড়া, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সামরিক সমাধান নেই। বরং একটি ন্যায্য ও উইন-উইন চুক্তি সম্ভব বলে জানান আরাঘচি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতিকে অপ্রয়োজনীয় ও সহায়ক নয় বলেও মন্তব্য করেন ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আরাঘচি সতর্ক করেন বলেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ কেবল পরিস্থিতি জটিল করবে এবং পুরো অঞ্চলকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে।

বর্তমানে অঞ্চলটিতে দুটি বিমানবাহী রণতরী ও ডজনখানেক যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে। জাহাজ-তথ্য অনুসরণকারী সাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড জিব্রাল্টার প্রণালি পেরিয়ে ভূমধ্যসাগরে প্রবেশ করেছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *