ইরানে হামলা চালাতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্র। কারণ যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা সামাল দেয়ার মতো যথেষ্ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে পারেনি ওয়াশিংটন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এসব তথ্য জানিয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, ওয়াশিংটন ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরীটির নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিশাল এবং সুন্দর নৌবহর পাঠিয়েছে, যাতে তেহরানের উপর চাপ সৃষ্টি করে নতুন পারমাণবিক চুক্তি করা যায়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল রোববার এক প্রবন্ধে তাদের সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে, ইরানের উপর মার্কিন বিমান হামলা আসন্ন নয়, কারণ ওয়াশিংটনকে নিশ্চিত করতে হবে যে, ইসরাইল তার আরব মিত্র এবং এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী যথাযথভাবে সুরক্ষিত রয়েছে।
এদিকে, প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানান, পেন্টাগন বর্তমানে জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার এবং অন্যান্য স্থানে আমেরিকান সেনাদের ঘাঁটিতে অতিরিক্ত থাড ব্যাটারি এবং প্যাট্রিয়ট বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে।
গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালানোর পর, তেহরান ইসরাইলের উপর হামলার পাশাপাশি কাতারের আল-উদেইদ আমেরিকান বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালায়। ইরানিরা ওয়াশিংটনকে আগাম সতর্কবার্তা দেয়ার কারণে মার্কিন স্থাপনার ক্ষতি কম হয়।

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি রোববার সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ হলে, মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে সুদূরপ্রসারী পরিণতি হবে। তিনি বলেন, তাদের জানা উচিত যে যদি তারা এবার যুদ্ধ শুরু করে, তাহলে এটি একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ হবে।অন্যদিকে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি, যিনি শুক্রবার মস্কোতে রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে আলোচনা করেছেন, বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তির বিষয়ে আলোচনার অগ্রগতি হচ্ছে।