উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নেতা হলেন কিম জং উন

Spread the love

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া কিম জং উনকে আবারও জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে নির্বাচিত করেছে বলে জানা গেছে।উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত দলীয় কংগ্রেসে এ ঘোষণা দেয়া হয়। তবে ১৯৪০–এর দশকের শেষ দিক থেকে কিম পরিবার একনায়কতান্ত্রিকভাবে দেশটি শাসন করে আসায় এই সিদ্ধান্তকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, কিমের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়া তার ‘যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা’ ব্যাপকভাবে উন্নত করেছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পারমাণবিক বাহিনী।

বিবিসি বলছে, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া নিয়মিতভাবে নিষিদ্ধ আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে তার পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। তবে দেশটির কঠোর গোপনীয়তার কারণে সামরিক অগ্রগতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণ করা কঠিন। 

২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পর ক্ষমতা গ্রহণ করেন কিম জং উন। এরপর থেকে তিনি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন, যার ফলে পিয়ংইয়ং পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। 

১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়ার নবম কংগ্রেস চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। এই কংগ্রেস চলাকালে দেশটির অস্ত্র কর্মসূচির পরবর্তী ধাপ ঘোষণা করতে পারেন কিম। এছাড়া কংগ্রেস শুরুর আগে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম রকেট লঞ্চারের একটি নতুন বহর উন্মোচন করে উত্তর কোরিয়া।

গত এক দশকে প্রতি পাঁচ বছর পরপর এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, প্রায় পাঁচ হাজার দলীয় সদস্যের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কংগ্রেস উত্তর কোরিয়ার রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামোর একটি বিরল ঝলক তুলে ধরে, যা বাইরের বিশ্বের কাছে এখনও অনেকটাই অস্বচ্ছ।

এই বৈঠককে দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আয়োজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মাধ্যমে পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পর্যন্ত রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *