কয়লা বোঝাই মালগাড়ির থেকে খুলে গেল ২২টি বগি

Spread the love

আবারও রেলে বিপত্তি। কয়লা বোঝাই মালগাড়ি থেকে খুলে গেল ২২টি বগি। আর বাকি ৫টি বগি নিয়েই ছুটল ইঞ্জিন। তবে বড়সড় থেকে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে। এমন ঘটনায় রেলের দিকেই আঙুল তুলেছেন স্থানীয়রা। রেলের গাফিলতির ফলেই এমন ঘটনা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পাশাপাশি মালগাড়ির বগি খুলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় বেশ কিছুক্ষণ ধরে আটকে পড়ে একাধিক দূরপাল্লা ও লোকাল ট্রেন। এর ফলে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। তার জেরে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রবিবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড স্টেশনের কাছে।

জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ কয়লা বোঝাই মালগাড়িটি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোড স্টেশন থেকে মেদিনীপুর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। মালগাড়িটি চন্দ্রকোনা রোড স্টেশন পার করার পরেই ঘটে বিপত্তি। তখনই চলন্ত অবস্থায় মালগাড়িটির প্রায় ২২টি বগি অন্যান্য বগি এবং ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে যায়। ৫টি বগি নিয়েই তখন ছুটতে থাকে ইঞ্জিন। বেশ কিছুক্ষণ পরে চালক বুঝতে পারায় মালগাড়ি থামিয়ে দেন। পরে বগিগুলি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তখন আবার গন্তব্যের দিকে ছুটতে শুরু করে মালগাড়ি। এদিনের ঘটনার জেরে বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন ও লোকাল ট্রেন রেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে। এরফলে শুরু হয় যাত্রীদের ভোগান্তি।  পরে মালগাড়িটি চলে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে এই ঘটনায় কোনও বড় রকমের  দুর্ঘটনা না ঘটলেও রেলের গাফিলতির অভিযোগ তুলছে স্থানীয়রা। শুভ সরকার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ‘২২ টি বগি ফেলে রেখে ৫টি বগি নিয়ে চলে যায় মালগাড়ির ইঞ্জিন। কিছুক্ষণ পর মালগাড়িটি থামে। এরপর বগিগুলিকে ইঞ্জিনের সঙ্গে জুড়ে নিয়ে যায়। তবে এর ফেলে ট্রেন আটকে পড়ে।’ তাঁর আশঙ্কা, ‘গার্ড ঘুমিয়ে থাকলে বিপদের শেষ থাকতো না। আমরা বিপদে সম্মুখীন হতাম। চারিদিকে রেল দুর্ঘটনার খবর শুনতে পাচ্ছি। আজ চোখের সামনে দেখলাম। আজকে যেটা হয়েছে সেটা পুরোটাই রেলের গাফিলতি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *