কলকাতার ভূমিকম্পে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা রাজার!

Spread the love

শুক্রবার কলকাতায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তার তীব্রতাও অনুভব করেছেন অনেকেই। এবার সেই ভূমিকম্পের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন পর্দার ‘বাবিল’ রাজা গোস্বামী। তিনি তাঁর চোদ্দতলা ফ্ল্যাটে ছিলেন। সেখানে থেকেই এই কম্পন অনুভব করেন। তারপর মুখে একরাশ ভয় নিয়ে তাঁকে সিঁড়ি থেকে নামতে দেখা যায়।

নায়ক ভ্লগের মাধ্যমে অনেক সময়ই তাঁর রোজ নামচার নানা খুঁটিনাটি তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার সেই ভাবেই এই ভূমিকম্পের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা রাজা সকলের সঙ্গে শেয়ার করেন। ভিডিয়োটি রাজা শুক্রবার তাঁর পেজ থেকে পোস্ট করেন। সেখানে শুরুতেই দেখা যায় তিনি নিজের ফ্ল্যাটের বারান্দা দিয়ে নীচে ঝুঁকে কিছু দেখার চেষ্টা করছেন। তারপর তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘ভূমিকম্প হচ্ছে, ভূমিকম্প হচ্ছে। মারাত্মক লেভেলের।’ তারপর দেখা যায় নায়ক মুখে একরাশ ভয় নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতেই তিনি বলেন, ‘হাইরাইসে ভূমিকম্প, ভয়ানক অভিজ্ঞতা। আমি লিফট ব্যবহার করব না। সিঁড়ি দিয়েই তাড়াতাড়ি নেমে যাবো। আমি এটা কখনও ভুলবো না। আমি ভেবেছিলাম আমার মাথা ঘুরছে।’

তারপর তিনি তাঁর দর্শকদেরও তাঁর জন্য প্রার্থনা করতে বলেন। নায়ক তাঁর ফ্ল্যাটের অন্যান্যদেরও সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসার পরামর্শ দেন। শেষে নায়ক তাঁর ফ্ল্যাটের নীচের পরিস্থিতিও দেখান। দেখা যায় সেখানেও বেশ ভিড়।প্রসঙ্গত, ভারতের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫। যা মাঝারি। কিন্তু ভালোমতো কেঁপে উঠেছে কলকাতা-সহ পার্শ্বর্বর্তী জেলা। আপ সেটার নেপথ্যে আছে ভূমিকম্পের উৎসস্থলের সঙ্গে নৈকট্য। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের যে জায়গা আদতে ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেখান থেকে ভারতের সীমান্ত বেশি দূরে নয়। পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে দূরত্ব মেরেকেটে ২৬ কিলোমিটারের মতো। আর কলকাতা থেকে মাত্র ৭৬ কিমি দূরে অবস্থিত ভূমিকম্পের উৎসস্থল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার কানঘেঁষে বড় বিপর্যয় বেরিয়ে গেল। কারণ মহাদেশীয় ভাঙন রেখার কাছেই এবারের ভূমিকম্প হয়েছে। আর সেই মহাদেশীয় ভাঙন রেখার উপরেই অবস্থিত কলকাতা এবং বাংলাদেশ। যে এলাকা পলিমাটি দিয়ে তৈরি। ফলে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা যদি ছয় পেরিয়ে যায়, তাহলেই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *