কেন ‘চকলেট বয়’ ইমেজ ছাড়তে নারাজ ইরফান?

Spread the love

অভিনেতা এবং আমির খানের ভাগ্নে ইমরান খান ২০০৮ সালে তাঁর অভিষেক চলচ্চিত্র ‘জানে তু… ইয়া জানে না’ মুক্তির পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন । কিন্তু এরপর একের পর এক বাধার সম্মুখীন হয়ে, ২০১৫ সালে তাঁর শেষ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাওয়ার পর তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন। এক দশক পর, ইমরান তাঁর বহু প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই অভিনেতা শীঘ্রই ভূমি সতীশ পেডনেক্করের সাথে আসন্ন চলচ্চিত্র ‘আধুরে হাম আধুরে তুম’ দিয়ে আমাদের পর্দায় ফিরবেন । এর আগে, ইমরান তাঁর ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ ‘আস্ক মি এনিথিং’ সেশনের আয়োজন করেন, যেখানে তিনি তাঁর চলচ্চিত্র, বিরতি এবং বলিউডের বর্তমান ধারা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

এএমএ (AMA) ঘোষণা করে ইমরান খান লিখেছেন, ‘আমি ইমরান খান—‘জানে তু… ইয়া জানে না’, ‘দিল্লি বেলি’ এবং আরও অনেক সিনেমার সেই লোকটা… তারপর সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিলাম এবং… আমি জানি না, আসলে কী হয়েছিল? জানার এটাই আপনার সুযোগ! r/indiasocial-এ একটি এএমএ (AMA) নিয়ে হাজির হলাম! আমাকে সিনেমা (আমার বা অন্যদের), গাড়ি (আমি চালাই), ৯০-এর দশক (আমার মনে আছে) এবং আরও অনেক কিছু নিয়ে যেকোনো প্রশ্ন করুন।’

পোস্টটির সাথে ইমরান গাড়িতে বসে থাকা নিজের একটি ছবি আপলোড করেন, যেখানে হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ছিল। প্ল্যাকার্ডটিতে লেখা ছিল, ‘উঠে পড়ো লুজার… আমরা r/indiasocial-এ আজেবাজে পোস্ট করতে যাচ্ছি। রেডিট এএমএ ইমরান খান, মঙ্গলবার ২৪শে মার্চ, সন্ধ্যা ৭টা (আইএসটি)।’

সেশন চলাকালীন, একজন নেটিজেন ইমরানকে অনুরোধ করেন যেন তিনি বর্তমানে জনপ্রিয় ‘মাচো চরিত্রে’ অভিনয় না করেন। এর উত্তরে ইমরান বলেন, ‘হ্যাঁ, রক্তাক্ত, রাগী লোকের চরিত্রে অভিনয় করার আমার কোনও আগ্রহ নেই। আমার মনে হয়, এই ধরনের চরিত্রে যথেষ্ট অভিনয় করা হয়েছে।’ এটা কি রণবীর কাপুরের ‘ অ্যানিমেল ‘ (২০২৩) নাকি রণবীর সিং অভিনীত ‘ ধুরন্ধর’ ছবিকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ ছিল কিনা সেটা স্পষ্ট নয়।আরেকজন ভক্ত দাবি করেছেন যে, আজকের মূলধারার বলিউড নায়কেরা আক্রমণাত্মক এবং প্রায়শই নারীদের প্রতি সহিংসতা বা আপত্তিকর আচরণকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে’। এর জবাবে ইমরান লিখেছেন, ‘আমিও এই প্রবণতা লক্ষ্য করেছি এবং এটা দেখে আমি বিচলিত যে, এই চলচ্চিত্রগুলো আবেগগতভাবে অপরিণত পুরুষদের প্রতিটি সহিংস তাণ্ডবকে প্রশ্রয় দেয়, যারা এটা ভাবতেই পারে না যে একজন নারী কেন তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, সহিংসতা ও বিষাক্ততা চিত্রিত করা এবং সেগুলোকে বৈধতা দেওয়ার মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। আমি এটাকে দেখি মানুষের বিবেচনা ছাড়াই একটি ট্রেন্ডের পেছনে ছোটা। আমার নিজের বিবেক আমাকে এমন একটি ছবির বা গল্পের অংশ নিতে দেবে না, যাকে আমি দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মনে করি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *