গত ২৮ নভেম্বর সাতপাকে বাঁধা পড়লেন খরাজ মুখোপাধ্যায়ের একমাত্র ছেলে বিহু ওরফে তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায়। তিন বছর আগেই দীর্ঘদিনের বান্ধবী রোজার সঙ্গে আইনি বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল ছাদনা তলায় চার হাত এক হল। বিবাহ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন টলি পাড়ার একাধিক নামিদামি তারকারা।
অনুষ্ঠানে রুক্মিণীকে নিয়ে আসেন দেব। দেব পরেছিলেন একটি কালো কোট-প্যান্ট, রুক্মিণী পরেছিলেন একটি ফ্লোরাল অফ শোল্ডার গাউন। অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন অনুসূয়া মজুমদার, ব্রাত্য বসু, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং নন্দিতা।
অনুষ্ঠানের সস্ত্রীক এসেছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। একটি কালো রঙের বেনারসিতে সেজেছিলেন চূর্ণী, একটি গাঢ় রঙের নীল পাঞ্জাবিতে সেজেছিলেন কৌশিক। বহুদিন পর বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ খলনায়ক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখা গেল একেবারে অন্যরকম মেজাজে। স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়ে বিবাহ বাসরে এসেছিলেন শ্বাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।
স্ত্রীকে নিয়ে খরাজ মুখোপাধ্যায়ের ছেলের বিয়েতে এসেছিলেন প্রবীণ অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক। সুদীপ মুখোপাধ্যায়কেও দেখা গেল প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়ে আসতে। কালো রঙের শাড়ি ও পাঞ্জাবিতে সেজেছিলেন দীপঙ্কর এবং দোলন। এসেছিলেন চিরঞ্জিত, বিশ্বনাথ এবং সাহেব।এই দিন বিশেষভাবে নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রীর ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। লাল বেনারসি, ভারী গয়নাতে যেন তাঁকেই নববধূ ভেবে ভুল করেছেন সকলে। এদিন একটি ময়ূরকণ্ঠী রঙের বেনারসিতে সেজেছিলেন শ্রীময়ী, সঙ্গে ওই একই রঙের ব্লেজার পরে এসেছিলেন কাঞ্চন।
এই দিন একদম সাবেকি সাজে দেখতে পাওয়া গেল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে। ফরমাল সাজে সেজেছিলেন আবির। পরিবারের সঙ্গে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মমতা শঙ্কর। তবে অনুষ্ঠানে রাজ-শুভশ্রীকে দেখতে পাওয়া যায়নি। দেখা যায়নি বলিউডের সুপারস্টার জিৎকেও।প্রসঙ্গত, এই দিন একদম সাবেকি সাজে সেজে ছিলেন অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায়। নতুন শাশুড়ি মা সেজে ছিলেন একটি কালো রঙের শাড়িতে। প্রত্যেক অতিথিকে নিজে দাঁড়িয়ে আমন্ত্রণ জানান খরাজ, যা দেখে সত্যিই আপ্লুত হয়ে যান সকলে।

উল্লেখ্য, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের একমাত্র পুত্র বিহু মুখোপাধ্যায় আবার ‘বসন্ত বিলাপ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। অন্যদিকে তমোঘ্নর স্ত্রী রোজার ‘মোক্ষা কলকাতা’ নামের একটি ব্যান্ড ছিল, এই ব্যান্ড জনপ্রিয় হওয়ার সুবাদেই কাছাকাছি এসেছিলেন বিহু এবং রোজা।