খামেনেই বিরোধী আন্দোলনের মাঝেই ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ আমেরিকার

Spread the love

অস্থিরতার মধ্যেই ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই বিষয়ে আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে বলে, মৌলিক অধিকারের দাবি তোলা ইরানি নাগরিকদের ওপর নৃশংস দমন-পীড়ন করছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটির সেক্রেটারি আলি লারিজানিসহ ইরানের বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে বিখ্যাত ফারদিস কারাগারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেখানে নারীদের সঙ্গে নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অবমাননাকর আচরণ করা হয়। ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ইরানের ছায়া ব্যাঙ্কিং নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত ১৮ জন ব্যক্তি এবং সংস্থার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। এই ১৮ জন তেল এবং পেট্রোকেমিক্যাল বিক্রয়ের আয় থেকে অর্থ পাচার করেছে বলে অভিযোগ আমেরিকার।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা ইরানি জনগণের পাশে রয়েছে এবং ইরানি সরকারকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে আলাদা রাখবে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর দল ইরানের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে নজরে রাখছেন। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকলে ইরান সরকারকে ‘গুরুতর পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে। এরই মাঝে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, যদি কোনও আন্দোলনকারীকে ইরান সরকার মৃত্যুদণ্ড দেয়, তাহলে ফল ভালো হবে না। পরে ট্রাম্প দাবি করেন, আন্দোলনকারীদের মৃত্যুদণ্ড নাকি বন্ধ করেছে ইরান।

ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও প্রস্তাবিত মৃত্যুদণ্ড দুটোই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইরানে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি যে, ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে এখন কাউকে ফাঁসি দেওয়া হবে না।’ তবে কে তাঁকে এই তথ্য দিয়েছে, জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প কারও নাম বলতে অস্বীকার করেন। তিনি শুধু বলেন, এই তথ্য ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সূত্র থেকে এসেছে। এই আবহে ট্রাম্প বলেন, এখন তাঁর প্রশাসন অপেক্ষা করবে এবং নজর রাখার নীতি গ্রহণ করবে। তিনি আরও দাবি করেন, হোয়াইট হাউস ইরানের কাছ থেকে ‘খুব ভালো বার্তা’ পেয়েছে। তবে তিনি এখনও সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *