চিন থেকে ৪৫০ কিমি দূরে জাতীয় সড়কে অবতরণ করল মোদীর বিমান

Spread the love

জাতীয় মহাসড়কে অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিমান। অসমের ডিব্রুগড়ে মোরান বাইপাসে আজ অবতরণ করে সি১৩০জে সামরিক বিমান। সেই বিমানেই ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বিগত দিনগুলিতে উত্তরপূর্ব ভারত নিয়ে বাংলাদেশিদের উস্কানিমূলক মন্তব্য এবং চিনের চোখরাঙানির আবহে মোদীর এই অবতরণ এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এই বিমান অবতরণ যেন দুই প্রতিবেশী দেশকেই একটি নীরব বার্তা। উত্তরপূর্ব ভারতে এটাই প্রথম জরুরি অবতরণের জন্য তৈরি সড়ক। এই আবহে মোদীর বিমানের এখানে অবতরণের ঘটনাটি ঐতিহাসিক।

মোরানের চার লেনের হাইওয়েতে এর আগে বেশ কয়েকবার পরীক্ষামূলক ভাবে বিমান ল্যান্ডিং এবং টেকঅফ করায় ভারতীয় বায়ুসেনা। এই সড়কে ভারী পণ্যবাহী সামরিক বিমানও অবতরণ করেছে। এই আবহে মোরান হাইওয়ের এই অংশটিকে জরুরি অবতরণের জন্য ইএলএফ (ইমারজেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি) হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। মোরানের জাটিয়ানিতে ১২৭ নং জাতীয় সড়কে ডেমো-মোরান অংশের ৪.২ কিলোমিটার অংশে জরুরি অবতরণ সুবিধাটি তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফরের আগে ডিব্রুগড়ে এই সড়কে যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছিল গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। এই সড়কে এরপরে প্রয়োজনে রাফাল, সুখোই, মিগের মতো যুদ্ধবিমান অবতরণ করতে পারবে। এহেন পরিস্থিতিতে উত্তরপূর্ব ভারতে প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে সক্ষম হল ভারত। উল্লেখ্য, ডিব্রুগড় থেকে বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের দূরত্ব প্রায় ৬০০ কিলোমিটার, আর রংপুর সীমান্তের দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটারের মতো। এদিকে ডিব্রুগড় থেকে চিন সীমান্ত প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যদি ডিব্রুগড় বিমানবন্দর বা চাবুয়া বিমান বাহিনী ঘাঁটি জরুরি পরিস্থিতির কারণে উপলব্ধ না থাকে, তাহলে এই সড়ককে ব্যবহার করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *