ট্রাম্পের পরিকল্পনায় গাজায় সেনা পাঠাচ্ছে যে ৫ দেশ

Spread the love

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার আওতায় ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো ও কসোভোসহ বিশ্বের পাঁচটি দেশ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডটিতে সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তথাকথিত ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী’র (আইএসএফ) কমান্ডার এমনটা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সভাপতিত্বে ‘বোর্ড অব পিস-এ প্রথম বৈঠকের সময় মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল ও আইএসএফ কমান্ডার জ্যাসপার জেফারস জানান, গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনীর অধীনে সেনা মোতায়েনে রাজি হয়েছে পাঁচটি দেশ। দেশগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কসোভো ও আলবেনিয়া।

জেনারেল জেফারস আরও বলেন, ভবিষ্যতে ইন্দোনেশিয়া থেকে যে বাহিনী আইএসএফে যোগ দেবে, তাদের মধ্য থেকে একজন ‘ডেপুটি কমান্ডারের’ পদ গ্রহণ করতে রাজি হয়েছেন। তার দাবি, ‘এসব প্রাথমিক ধাপ গাজার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।’

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সভাপতিত্বে তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, বোর্ড অব পিসের ৯ সদস্য রাষ্ট্র গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন তহবিলে ৭০০ কোটি ডলার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোয়ো সুবিয়ান্তোও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ’ সফল করতে তার দেশ ওই বাহিনীতে সর্বোচ্চ ৮ হাজার সেনা পাঠাবে।

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-ইয়োমার্ত তোকায়েভ জানান, তার দেশ চিকিৎসা ইউনিটসহ গাজায় অন্যান্য সেনা পাঠাবে। তবে সেনার সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বৌরিতা জানান, তার দেশ গাজায় পুলিশ কর্মকর্তা পাঠাতে প্রস্তুত। আলবেনিয়াও সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।

অপর দিকে মিশর ও জর্ডান বলেছে, তারা পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে বাহিনীর কার্যক্রমে অংশ নেবে। গাজার রাফা শহর থেকে তারা কাজ শুরু করবে এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেবে। তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ১২ হাজার পুলিশ সদস্য ও ২০ হাজার সেনা প্রস্তুত করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *