ঢোলাহাট বিস্ফোরণে এনআইএ তদন্ত চেয়ে শাহকে চিঠি সুকান্তর

Spread the love

ঢোলাহাটের ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এর জেরে কার্যত মৃত্যুমিছিল সেখানে। এবার ঢোলাহাটের বিস্ফোরণ নিয়ে এনআইএ তদন্তের জন্য আবেদন করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি পাঠালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আমি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়েছি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ব্যাপারে অবিলম্বে এনআইএ তদন্তের অনুরোধ করেছি। এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটা ব্যর্থ মুখ্য়মন্ত্রীর নেতৃত্বে বেড়ে চলা আইন শৃঙ্খলার অবনতির একটি লক্ষণ।

কী লিখেছেন তিনি এই চিঠিতে?
‘দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাটে যে ঘটনা হয়েছে সেটা নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন। স্থানীয় রিপোর্ট অনুসারে এই মর্মান্তিক ঘটনা একটা অবৈধ বাজি কারখানায় হয়েছে। ৬জনের বেশি প্রাণ গিয়েছে। তবে এটা সন্দেহ করা হচ্ছে যে এটা আসলে বোম তৈরির কারখানা ছিল। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এটা চলছিল।’

‘এটা বাংলার উদ্বেগজনক ট্রেন্ডের একটা অংশ। বাংলায় অবৈধ অস্ত্র ও বোমা বারুদের কারবার চলে, এর মাধ্য়মে জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।’

‘এই বিস্ফোরণ নিয়ে অবিলম্বে এনআইএ তদন্ত করার জন্য় অনুরোধ করছি। এর বিস্ফোরক কোথা থেকে আসছে, এর পেছনে কোনও চক্র রয়েছে কি না সেটা তদন্ত করে দেখা অত্যন্ত দরকার। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। তবে এখানকার নাগরিকদের একটা সুরক্ষিত পরিবেশে বাস করার অধিকার রয়েছে, রাজনৈতিক আশ্রয়ে যে দুষ্কর্ম থাকে তা থেকে মুক্ত হওয়া দরকার।’ এনিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত ঢোলাহাটে বিস্ফোরণে অন্তত ৯জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ঢোলাহাটে বাজি কারখানাটি প্রায় ১০ বছর ধরে চলছিল। এই বাজি কারখানার মালিক চন্দ্রকান্তকে ২০২২ সালে প্রায় ৬৪ কেজি বাজি মজুত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে ওই কারখানার লাইসেন্স ছিল কি না তা তদন্ত না করে বলা সম্ভব নয়। অভিযুক্তের বাজি মজুত করার লাইসেন্স ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখতে হবে।

আমরা বিভিন্ন বাজি প্রস্তুতকতারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলব। আমরা বোঝার চেষ্টা করব লোকালয় থেকে দূরে বাজি মজুত রাখার ব্যবস্থা করা সম্ভব কি না। তেমন হলে সমবায়ের ধাঁচে বাজি মজুতের ব্যবস্থা করার চেষ্টা হবে। জানিয়েছেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ।

তবে প্রশ্নটা রয়েই গিয়েছে বাজি নাকি বোমা কী তৈরি হত ঢোলাহাটে?

সত্যিই কি ঢোলাহাটে এই বাজি কারখানার জন্য পুলিশ টাকা তুলত?

তবে তৃণমূলের দাবি, গুজরাটেও তো বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। সেখানে তাহলে এনআইএ যাক!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *