তুই আমার হিরোর প্রোমো নিয়ে ট্রোল নেটিজেনদের

Spread the love

রুবেলকে মালা পরানোর জন্য শ্মশান থেকে মালা আনতে ছুটলেন মোহনা! কাণ্ড দেখে অবাক নেটপাড়া। ভাবছেন তো ব্যাপার কী? বাস্তব জীবনে নয়, ‘তুই আমার হিরো’ মেগাতে পর্দার আরশি তার হিরো ‘শাক্যজিত’কে মালা পরানোর জন্য শ্মশান থেকে মালা আনতে ছোটে।

তাহলে আর একটু খোলসা করে বলা যাক। জি বাংলার পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন মেগা ‘তুই আমার হিরো’। আর শুক্রবার মেগার নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানেই এই কাণ্ড করতে দেখা গিয়েছে মেগার নায়িকাকে ‘আরশি’কে।

ধারাবাহিকে ‘হিরো’ রুবেল দাসকে ‘শাক্যজিৎ’-এর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, অভিনেত্রী মোহনা মাইতিকে দেখা যাচ্ছে ‘আরশি’-এর চরিত্রে। মেগাতে আরশি-শাক্যজিতের খুব একটা সখ্যতা নেই। তাঁদের সম্পর্ক খানিক আদায়-কাঁচকলায়। তবে কাজের ক্ষেত্রে খুবই মনযোগী ‘আরশি’। কারণ তার পরিবারের হাল পুরোটাই তার কাঁধে। সঙ্গে রয়েছে দিদি আর বোনের দায়িত্ব।

প্রোমোতে কী দেখানো হয়েছে?

কাজের সূত্রে ‘শাক্যজিৎ’-এর শ্যুটিংয়ের সেটে হাজির ছিল ‘আরশি’। সেখানে হিরো ‘শাক্যজিৎ’-এর বিয়ের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। তবে মালা ছাড়া তো রিয়েল বা রিল কোনও বিয়েই হয় না। কিন্তু সেট থেকে সেই মালাই ছিল মিসিং। অনেক রাত হয়ে যাওয়া ইউনিটের সবাই মালা খুঁজতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে যায়, তাও মালা আর পায় না। তাই আর কোনও উপায় না দেখে ‘আরশি’ শেষে শ্মশানে মালা আনতে ছোটে।

এদিকে, মালা না আসায় ‘শাক্যজিৎ’ যখন সেট ছেড়ে বেরিয়ে যাবে বলে। তা শুনে পরিচালকের মাথায় হাত পড়ে। কিন্তু এইসবের পরোয়া না করেই ‘শাক্যজিৎ’ যখন বেরিয়ে যেতে যায়, তখনই সকলের মুশকিল আসান হয়ে সেটে মালা হাতে হাজির হয় আরশি। তবে উত্তেজনার বশে টাল সামলাতে না পেরে একপ্রকার ‘শাক্যজিৎ’ ঘাড়ের উপরই পড়ে যায় সে।

মেগার এই প্রোমো প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনরা নানা মন্তব্যে ভরে দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘সেরা হয়েছে।’ আর একজন বেশ অবাক হয়ে লেখেন, ‘এসব কি হচ্ছে?’। আর একজন উত্তমকুমারের শ্যুটিয়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘এ রকম একটা ইন্টারভিউতে শুনেছিলাম। উত্তমকুমারের কোনও এক গানের দৃশ্যের জন্য মালা লাগত। পায়নি বলে শ্মশান থেকে মালা এনেই শ্যুট করা হয়েছিল। সেটা এঁরা টুকে দিল।’ আর একজন লেখেন, ‘গাঁজা খেয়ে স্ক্রিপ লেখে’। আর একজন মজা করে লেখেন, ‘ওরে, শেষে চিতা থেকে মালা।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *