ধর্ম বদলে হেমাকে বিয়ে ধর্মেন্দ্রর! বড় ছেলে সানি তখন ২৪

Spread the love

২৪ নভেম্বর মারা যান ধর্মেন্দ্র, বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিনের কয়েকদিন আগেই প্রয়াত হন অভিনেতা। ২৫ নভেম্বর মুম্বইয়ে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। যদিও মৃত্যুর আগের সময়টা তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে এনে পৈত্রিক বাড়িতে রাখা হয়েছিল। সারাক্ষণ তাঁকে আগলে রেখেছিলেন চার সন্তান সানি-ববি-অজিতা-বিজেতা।

কিন্তু শেষ সেই সময়টায় বাবাকে পাননি এষা ও অহনা দেওল। আসলে কোনোদিনই ধর্মেন্দ্রর পৈত্রিক বাড়িতে ঢোকেননি হেমা মালিনি। ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী তিনি, একসময় শোনা গিয়েছিল ধর্ম বদলে মুসলিম হয়ে নিকাহ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনি। একাই থাকতেন এরপর হেমা। পাকাপকিভাবে কোনোদিন এসে থাকেননি ধর্মেন্দ্র। মাঝেমধ্যে এসে হেমার সঙ্গে সময় কাটালেও, থাকতেন প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও চার সন্তানের সঙ্গেই।

১৯৫৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন ধর্মেন্দ্র, তখনও সেভাবে সাফল্য পাননি বলিউডে। ১৯৫৭ সালে জন্ম হয় তাঁদের বড় সন্তান সানির, এরপর ১৯৬৯ সালে জন্ম ববি দেওলের। অজিতা ও বিজেতার জন্ম হয় যথাক্রমে ১৯৬৬ ও ১৯৬২ সালে। চার সন্তানের বাবা, বিবহিত ধর্মেন্দ্ররই প্রেমে পড়েছিলেন হেমা মালিনি। এরপর তিনি ও ধর্মেন্দ্র একসঙ্গে ২ সন্তানের জন্ম দেন তাঁরা। পরিবারের অমতে গিয়ে লড়াই করেই হেমা বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্রকে। গভীর ভালোবাসা থেকেই এই সিদ্ধান্ত তাঁদের। হেমা স্পষ্ট করেছিলেন, কোনো অর্থ বা সম্পত্তি চান না তিনি ধর্মেন্দ্রর। শুধু নিখাদ ভালোবাসা আর সিঁদুরের অধিকার থাকলেই চলবে!

তবে হেমার নামে কোনোদিনই প্রকাশ্যে কোনো খারাপ মন্তব্য করেননি ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। বরং, কেউ হেমার নামে খারাপ বললে তিনি বরং তাঁর প্রতিবাদ করতেন। পুরনো এক সাক্ষাৎকারে প্রকাশকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘শুধু আমার স্বামীই কেন? যে কোনও পুরুষই আমার চেয়ে হেমাকে বেশি পছন্দ করবেন।’ সঙ্গে প্রকাশ কৌর আরও বলেছিলেন যে, ধর্মেন্দ্র সেরা স্বামী না-ও হতে পারেন, তবে তিনি সেরা বাবা। তিনি তাঁর সন্তানদের প্রতি দায়িত্বশীল এবং তাদের কখনওই অবহেলা করেননি। সঙ্গে অবশ্য স্পষ্ট করেছিলেন, তিনি হেমার জায়গায় থাকলে কোনোদিন এই বিয়ে করতেন না। এমনকী, ধর্মেন্দ্রকে বিয়ের পর কখনো মুখোমুখি হননি হেমা ও প্রকাশ। বিয়ের আগে দু একটা অনুষ্ঠানে দেখা হলেও, পরবর্তীতে এড়িয়েই গিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *