কদিন আগই ধুমধাম করে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন টলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত জুটি রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। গোটা টলিপাড়া হাজির হয়েছিলেন এই বিয়েতে। যাকে বলে নেচে-গেয়ে ফুল মস্তি মুডে বিয়ে করেন দুই তারকা। তবে এবার দেখা গেল, রণজয় আর শ্যামৌপ্তির এই বিয়ে, বিশেষ করে বলতে গেলে নিজের বিয়েতে রণজয়ের নাচ একেবারেই মন পসন্দ হয়নি আরেক টলি-তারকার। তাই নাম না করে কটাক্ষে ভরালেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।
পোস্টটি করেছেন অভিনেত্রী ঋ, যার পুরো নাম ঋতুপর্ণা সেন। ঋ লেখেন, ‘যাকে বিয়ে করব, সেই যদি বিয়ের দিন সারাক্ষণ হাভাতের মতো নেচে যায়! তাহলে কোথাও গণ্ডগোল আছে।’ যদিও কোথাও রণজয়ের অবধি নেওয়া হয়নি, তবে বুঝতে সমস্যা হয়নি যে, কাদের দিকে কটাক্ষ ছিল ঋ-এর।প্রসঙ্গত, ১৪ ফেব্রুয়ারির দিন সাতপাকে বাঁধা পড়েন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। দুজনের প্রেমের শুরুয়াত হয়েছিল অবশ্য বছরখানেক আগে, গুড্ডি ধারাবাহিকে কাজ করার সময় থেকে। সম্পর্ক নিয়ে লুকোছাপা থাকলেও, প্রেমের খবর লুকিয়ে রাখতে পারেননি। খাঁটি বাঙালি মতে বিয়ে করেন তাঁরা। কামাক্ষার পণ্ডিত তাঁদের চার হাত এক করেন।
বিয়ের দিনই রিসেপশন পার্টি রেখেছিলেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। যাতে হাজির ছিল প্রায় গোটা টলিউড। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, সেলেব অতিথিদের লিস্ট বেশ লম্বা। বিয়ের অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকবার বউকে নিয়ে নাচতে দেখা যায় রণজয়কে। তা সে গায়ে হলুদের পর হোক, বা বিয়ের পর শ্যামোপ্তিকে চ্যাংদোলা করে কোলে তুলে নেওয়া।
টলিপাড়ার একাধিক নায়িকার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন রণজয়। অস্মিতা মুখোপাধ্যায়, প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল, সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, শিবাঙ্গী শর্মা, অন্তরা চৌধুরী, সোহিনী সেনগুপ্ত তালিকা বেশ লম্বা। এমনকী, বাংলার ‘ক্যাসানোভা’ বলেও কটাক্ষ করা হত রণজয়কে। যদিও সেই সবই পুরনো কথা। আপাতত শ্যামৌপ্তিতেই থিতু হয়েছেন অভিনেতা।

বিয়ের আগে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘এই পৃথিবীতে তো অনেক মানুষ আছে যাদের অতীতে অনেক সম্পর্ক ছিল। তারপর সেটা ভেঙেছে। কিন্তু তাদের কথা কেউ জিগ্গেস করে না। কিন্তু অভিনেতাদের সম্পর্ক ভাঙলেই লোকে বলবে- ‘দেখলি…’। তাই লোকে কী বলছে সেই নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আসলে অভিনেতাদের প্রতি আঙুল তোলা সহজ।’