প্রসেনজিৎকে সত্যিই কি ‘পদ্মশ্রী-টদ্মশ্রী’ বলে অপমান করেন দেব?

Spread the love

আপাতত টলিউডের মধ্যেকার ‘কোন্দল’ হয়ে উঠেছে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম। খবর, সিনেমা মুক্তি নিয়ে নাকি প্রসেনজিৎ-জিতের বিপক্ষে চলে গিয়েছেন দেব! এখানেই শেষ নয়, দেব নাকি আবার প্রসেনজিৎকে অপমান করে ‘তুমি তো আবার পদ্মশ্রী-টদ্মশ্রী পেয়েছ’ বলে অপমান করেছেন (বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবর, যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা)! আর আশ্চর্যজনকভাবে বন্ধ দরজার ভিতরে হওয়া মিটিংয়ের খবর, চলে আসছে বাইরে। এখন প্রশ্ন, এর পিছনেও কি কাজ করছে দেব বিরোধীদের কোনো চক্রান্ত? অন্তত টলিউডের প্রযোজক রাণা সাহা-র একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে তেমনই ইঙ্গিত মিলছে।

কী লিখলেন রাণা ফেসবুকে?

রাণা সাহা-র সেই পোস্টে লেখা রয়েছে, ‘বুম্বাদাকে অপমান করলে যেমন মেনে নেব না, তেমনি অকারণ দেবকে টার্গেট করা হলেও প্রতিবাদ করব। সেদিন সত্যি কী ঘটেছিলো সেটার আমি প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষী…! মানুষ দেব-জিৎ-বুম্বাদার সিনেমা হলে গিয়ে দেখতে চায়, আমরা কে সেটার রিলিজ তারিখ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার? আদৌ আমাদের সেই অধিকার আছে কি? লড়াইটা ছিল হিন্দি সিনেমার বিরুদ্ধে, এখন তো আমরা নিজেদের মধ্যেই লড়াই করছি।’

এরপর রাণা কারও নাম না করেই দেব-বিরোধীদের উদ্দেশে লেখেন, ‘স্ক্রিনিং কমিটির ভেতরের কথা যখন উদ্দেশ্যমূলক ভাবে মিডিয়ার কাছে বলে দেওয়া হচ্ছে তবে এবার সেটাই আরো বিশদে বলা শুরু করি? অনেক প্রশ্ন আছে, প্রশ্ন করতে শুরু করি? যারা এসব করাচ্ছেন পারবেন তো জনগণের কাছে নিজের মুখ রক্ষা করতে?’

কী নিয়ে গণ্ডগোল লেগেছে?

বুধবার ২৮ জানুয়ারি ছিল নতুন বছরের সিনে ক্যালেন্ডার নির্ধারণ করার জন্য ইম্পার দফতরে বৈঠক। আগেই খবর ছিল, দেবকে পুজোতে ছবি মুক্তি দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দেব নিজেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি স্ক্রিনিং কমিটির কাছে লিখিত চেয়েছিলেন, কেন তিনি মুক্তি দেবেন না সিনেমা তা জানানো হোক। বুধবারের মিটিংয়ে দেখা গিয়েছিল মাঝখানেই বেরিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এরপর মিটিংয়ের শেষে একাধিক মাধ্যমে প্রকাশ পায় যে, দেব নাকি অপমান করেছেন প্রসেনজিৎকে, যাকে ‘ইন্ডাস্ট্রি’ হিসেবে মানে টলিপাড়া। একসময় যিনি একার কাঁধে টেনেছিলেন বাংলা সিনেমা! এমনকী, জিৎকেও নাকি দেব করেছেন অপমান! যদিও এই নিয়ে দেব বা প্রসেনজিৎ বা জিৎ, কেউই খোলেননি মুখ। এখন প্রশ্ন, ইন্ডাস্ট্রির মধ্যেই যদি এত বিভেদ থাকে, তাহলে কি বাংলা সিনেমা পারবে বড় বাজেটের বলিউড বা দক্ষিণী সিনেমার সঙ্গে টক্কর দিতে। ধুঁকতে থাকা ইন্ডাস্ট্রির হাল এই রেষারেষির মুখে পড়ে আরও পতনের পথে যাবে না তো?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *