বিগত কিছুদিনে একাধিক পরিচালকরা নতুন ডিরেক্টরস গিল্ড ছেড়ে পুরনো গিল্ডে ফিরে গিয়েছেন। আর তারই মাঝে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন পরিচালক বিদুলা ভট্টাচার্য। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এবার তাঁকে সমর্থন করে জয়েন্ট পিটিশন দাখিল করলেন পরম, অনির্বাণরা।
কী ঘটেছে?
অকারণ হস্তক্ষেপ করেছে ফেডারেশন, আর তার জেরেই কাজ করতে পারেননি বিদুলা ভট্টাচার্য। এরপর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিযোগ দায়ের করেন ফেডারেশনের বিরুদ্ধে যে এই সংগঠনের জন্যই তিনি কাজ করতে পারছেন না। লড়াই চালাচ্ছিলেন একাই। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিংহ নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁর কোনও কাজে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করা যাবে না। সেই ঘটনার পর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ ভট্টাচার্য সমর্থন জানান তাঁকে। বাদ যাননি অনির্বাণও। এবার সেই একই দলে নাম লেখালেন নতুন পরিচালক গিল্ডের সভাপতি সুব্রত সেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন নতুন পরিচালক গিল্ডের সম্পাদক সুদেষ্ণা রায় সহ আরও অনেকে।
জানা গিয়েছে সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায়রা নাকি বিদুলার মতোই কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছেন। বিদুলার আইনজীবী জানিয়েছেন বাকি পরিচালকরা চাইলে তাঁর সঙ্গে জয়েন্ট পিটিশন দাখিল করতে পারবেন।
জয়েন্ট পিটিশন দাখিল করবেন কিনা প্রসঙ্গে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগত ভাবে আমরা DAI এর কিছু মেম্বাররা পিটিশন দায়ের করেছি। আমাদের আইনজীবীরা বলতে পারবেন যে জয়েন্ট কিনা সেটা।’
পরমব্রত এদিন এও জানান, ‘আমরা গত বছরের জুলাই মাসের একটা ঘটনার পর একজোট হয়েছিলাম। ফেডারেশনের কিছু নিয়মনীতি পরিচালকদের কাজের পরিসর ছোট করে দিচ্ছে। অনেকে কাজ খুইয়েছেন। প্রশ্ন তুললে কোনও সদুত্তর মেলেনি। কোনও আলোচনায় বসার কোনও আগ্রহ দেখানো হয়নি ফেডারেশনের তরফে। উল্টে ফেডারেশন গোড়া থেকে যাঁরা সরব হয়েছিলেন তাঁরা এই বছরের গোড়া থেকে কাজ শুরু করতে গেলেই ডেকে নিয়ে অপদস্থ করছে। আমাদের DAI এর সদস্যপদ বাতিল করা সহ সরকারের তরফে চালু করা স্বাস্থ্য বিমা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।’