‘বাজি কারখানার মালিক TMC MLA সমীর জানার ঘনিষ্ঠ! তিনিই তো লাইসেন্স করিয়ে দিয়েছেন’

Spread the love

পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে বাড়িতে মজুত বাজিতে বিস্ফোরণে ৪ শিশুসহ মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়েছে বাড়ির দোওয়াল। গোটা বাড়ি পরিণত হয়েছে ধ্বংস্তূপে। আর সেই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়েই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন কারখানার মালিক চন্দ্রকান্ত বণিকের শ্বশুরমশায়। বৃদ্ধ কুশময় ভাণ্ডারী বললেন, তৃণমূল করে জামাই। পুলিশ অফিসাররা প্রতি মাসে এসে টাকা নিয়ে যেতেন।

সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ঢোলাহাটে চন্দ্রকাণ্ড বণিকের বাড়িতে মজুত বাজিতে বিকট বিস্ফোরণ হয়। ঘটনার পর থেকে পলাতক চন্দ্রকান্ত ও তাঁর ভাই তুষার। মঙ্গলবার সকালে চন্দ্রকান্তের শ্বশুরমশাই বলেন, ‘আমি জামাইকে বারণ করেছিলাম। এসব খারাপ কাজ কোরো না। জামাই বলেছিল লাইসেন্স আছে। তার পর বাড়ি থেকে দূরে কারখানা বানায়। সেই কারখানার লাইসেন্সের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সমীর জানা। সেই কারখানা যেদিন চালু হয়েছিল সেদিন পুলিশ আধিকারিকদের ভোজনের ব্যবস্থা করেছিল জামাই। সেখানে বিধায়কও ছিলেন। প্রতি মাসে পুলিশ আধিকারিকরা এসে টাকা নিয়ে যেতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার জামাই তৃণমূল করে। বিধায়ক সমীর জানার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সে।’

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিধায়ক বলছেন, বাজি কারখানার অনুমতি রয়েছে। তাহলে এই ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় বাজি বানানোর অনুমতি দিল কে? আর লাইসেন্স না থাকলে পুলিশ এতদিন পদক্ষেপ করল না কেন? এখানে তো তৃণমূলের অনুমতি ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। শাসকদল ও পুলিশের মদতেই এখানে দিনের পর দিন চলছিল এই বেআইনি বাজি কারখানা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *