বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যাওয়ার আগে পিষে দিল গাড়ি! রিপনের নারকীয় খুনে ধৃত ১

Spread the love

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু যুবকের হত্যাকাণ্ড ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওসমান হাদির খুনের খবর আসার রাতেই সেদেশের ময়মনসিংহে ভয়াবহভাবে খুন করা হয় দীপু দাসকে। এরপর থেকে একের পর এক হিন্দু যুবকের হত্যা হয়েছে বাংলাদেশে। সদ্য পাম্প কর্মী হিসাবে কর্মরত রিপন দাসকে গাড়ি পিষে দেয় ইউনুস সরকারের দেশে। সেই ঘটনায় আবুল হাসেম সুজন সহ তার গাড়ি চালক মো. কামাল হোসেন সরদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পেট্রোল পাম্পে প্রাপ্য টাকা চাওয়ার পরই রিপনকে পিষে দেয় আবুল হাসেম সুজনের গাড়ি। এই সুজনকেই গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশের পুলিশ। প্রথমে একাধিক রিপোর্ট দাবি করে, এই সুজন বাংলাদেশের যুবদলের প্রাক্তন সদস্য। পরে কেন্দ্রীয় যুবদলের তরফে জানানো হয়, বাংলাদেশের রাজবাড়ির গোয়ালন্দ মোড়ের পেট্রোল পাম্প কর্মীকে খুনের ঘটনায় ধৃত আবুল কাসেম সুজন তাদের দলের কেউ নন। এছাড়াও দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, আজ থেকে প্রায় ৭ বছর পূর্বে পদত্যাগ করেছে সুজন। ফলে তাকে দলের সদস্য মানতে রাজি নয় বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দল।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি ভোর সোয়া ৪টার দিকে একটি জিপ গাড়ি ড্রাইভারসহ দুইজন ব্যক্তি করিম ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার জন্য আসে। তারা ৫ হাজার টাকার তেল নেয়। তেল নেওয়ার পর অয়েলম্যান রিপন গাড়ির মালিক অভিযুক্ত আবুল হাসেম সুজনের কাছে টাকা চাইলে সে টাকা দিতে গড়িমসি করে। এরপরই রিপনকে গাড়ি পিষে দেয়।

এদিকে, বাংলাদেশের রাজবাড়ি সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের সাহা পাড়ার পুত্রহারার শোকে রিপনের পরিবার। কিছুতেই বাঁধ মানছে না কান্না। ছেলের এমন মৃত্যুর খবর ভোররাতে বাড়িতে আসবে তা ভাবতেই পারেননি তাঁরা। ১৬ জানুয়ারি বিকেলের দিকেই রিপনের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। আর সেই দিন ভোরেই এই মৃত্যুর খবর আসে। ‘শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তেলের পাম্প থেকে আমাকে ফোনে জানায়, রিপন এক্সিডেন্ট করেছে, আপনারা আসেন। গিয়ে দেখি আমার রিপন আর নাই। ওকে গাড়ি চাপা দিয়ে মাইরা ফেলাইছে’, বলছেন পুত্রহারা রিপনের বাবা। বাড়ির বড় ছেলে রিপন। তাঁর জন্য শুক্রবারই বাংলাদেশের কল্যাণপুরে মেয়ে দেখতে যাওয়ার কথা ছিল পরিবারের। রিপনের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে,’কয়েকদিন আগে মেয়ে পক্ষ রিপনকে দেখে পছন্দ করে গেছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *