জুবিন গর্গের মৃত্যুতে মিললো ‘খুনের তত্ত্ব’। গায়কের মৃত্যু মামলায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত সহশিল্পী শেখর জ্যোতি গোস্বামী দাবি করেছেন, জুবিনকে বিষ খাইয়ে খুন করা হয়েছে। এ দাবির প্রেক্ষিতে, ভারতের আসামের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গায়কের মরদেহের ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে।সিআইডির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্তে শেখর জ্যোতি জানান, খুন করার আগে জুবিনকে বিষ খাওয়ানো হয়েছিল। জুবিনকে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা এবং ‘নর্থইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যাল’-এর আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত ষড়যন্ত্র করে হত্যা করে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে সাজানোর চেষ্টা করেন, দাবি জ্যোতির।
এ প্রসঙ্গে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সংবাদমাধ্যমে বলেন,
গায়ক জুবিন গর্গের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে না। কারণ এটি তদন্ত ও আদালতের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তবে রিপোর্টটি দেখতে যারা আগ্রহী তারা এটি পড়ার জন্য পূর্বানুমতি নিয়ে ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) অফিসে যেতে পারেন।
তিনি আরও বলেন,
দুইবার গায়কের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। এরমধ্যে শেখর জ্যোতি গোস্বামী দাবি করেছেন, গায়ককে বিষ খাইয়ে খুন করা হয়েছে। তার বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। তাই ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। রিপোর্ট আসবে ১০ অক্টোবর, ওইদিনই জানা যাবে জুবিনকে বিষ খাওয়ানো হয়েছিল কিনা।
গায়কের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও নর্থইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালের আয়োজক শ্যামকনু মহন্তকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর জুবিন গর্গের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকার জেরে গায়কের ব্যান্ডের সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং সহশিল্পী অমৃতপ্রভা মহন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জুবিন গর্গ। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রথমে জানানো হয় সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তিনি মারা যান। তবে তদন্তে বেরিয়ে আসছে একের পর এক নতুন তথ্য। যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, গায়কের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।