‘মুদ্রা ঋণ’ দেওয়ার ঘোষণা নির্মলার

Spread the love

আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন(Nirmala Sitharaman)। তাতে নানা চমক থাকলেও এটা সাধারণ মানুষের পক্ষে বাজেট নয় বলেই বিরোধীরা মনে করছেন। এই কেন্দ্রীয় বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের সেরা ৫০টি পর্যটনস্থলের উন্নতি ঘটানো হবে। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, যে সব পর্যটনস্থলের সঙ্গে গৌতম বুদ্ধের যোগ রয়েছে, সেগুলিকে দ্রুত সংস্কার করা হবে। কারণ তার ফলে ভারতে বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের পর্যটন শিল্পের আরও উন্নয়নের জন্যই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তার জেরে বাড়তি রাজস্ব আসবে সরকারের ঘরে।

দেশে এমন অনেক পর্যটনস্থল আছে যেখানে যাতায়াত মসৃণভাবে করা যায় না। এবার সেখানে যাতায়াতের জন্য সড়ক, ট্রেন এবং আকাশপথে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হবে। এমনকী সেইসব পর্যটনস্থলে যদি রাস্তা খারাপ থাকে তা অগ্রাধিকারের সঙ্গে মেরামত করা হবে। দেশের পর্যটনস্থলগুলির পরিকাঠামো বৃদ্ধি করে এই শিল্পের উন্নয়ন করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তাহলে বিদেশি পর্যটকরা এখানে আসবেন। আর তাহলে সেই অর্থ সরকারের কোষাগারে আসবে। তাই এখন নতুন প্রকল্প চালু করতে চলেছে। এই প্রকল্পে ছোট পর্যটন ব্যবসাকেও উৎসাহিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। হোম–স্টে তৈরি করতে ‘মুদ্রা ঋণ’ দেওয়া হবে। এমনকী সেই ঋণ নিয়ে নিজের বাড়িতেই অতিথিদের থাকার ব্যবস্থা করে রোজগার করতে পারবেন মানুষজন।

যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ক্যানসার–সহ ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধের উপর শুল্ক মুকুবের কথা ঘোষণা করছিলেন তখন স্বাস্থ্য পর্যটনের প্রসঙ্গও তুলেছিলেন। আর ওই স্বাস্থ্য পর্যটন নিয়ে সারা দেশে কাজ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। নির্মলা সীতারামন জানান, এই নিয়ে প্রচার করতে হবে। তাতে বেসরকারি ক্ষেত্রকে যুক্ত করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‌গত কয়েক বছর ধরে এই দেশে চিকিৎসার জন্য আসছেন বহু মানুষজন। উন্নত পরিষেবার পাশপাশি সীমিত খরচে থাকতে পারার কারণেই বিদেশ থেকে আসা রোগীদের ভিড় বাড়ছে এখানে। এই বিষয়টিকে আরও উন্নত করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা পর্যটন অর্থনীতি বলা যায়।

তবে এই পর্যটন অর্থনীতির উন্নতি ঘটাতে গেলে আকাশপথে যোগাযোগ আরও উন্নত করতে হবে। যাতে ভিন দেশ থেকে এদেশে সহজে আসা যায়। বারবার ফ্লাইট চেঞ্জ করতে না হয়। আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় বাজেটে ‘উড়ান’ প্রকল্প চালু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ১২০টি গন্তব্যকে আকাশপথে জুড়বে এই প্রকল্প। আগামী ১০ বছরে আরও চার কোটি মানুষ বিমানে চড়ার সুযোগ পাবেন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, এই প্রকল্পে হেলিপ্যাড, ছোট বিমানবন্দর, পার্বত্য অঞ্চলে বিমানবন্দর গড়ে তোলা হবে। বিহারে তৈরি করা হবে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর। ২০১৬ সালে এই ‘উড়ান’ প্রকল্প চালু হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তাতে বিশেষ কাজ করেনি বলে অভিযোগ। এবার এই প্রকল্পে ৮৮টি বিমানবন্দরকে জুড়ে ৬১৯টি বিমানপথ চালু করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *