সারা আলি খানকে মাঝে মাঝেই নানা মন্দির ও তীর্থস্থানে দেখা যায়। এর আগেও বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে তিনি পুজো-পাঠ করেছেন। ঈশ্বরে প্রতি তাঁর গভীর আস্থা রয়েছে। এবার অভিনেত্রী কামাখ্যা দেবীর দর্শন করতে গুয়াহাটি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে সারা তাঁর ইনস্টাগ্রামে পুজোর বেশ কিছু ছবিও শেয়ার করেন।
ছবিগুলিতে অভিনেত্রীকে সাদা পোশাককে দেখা গিয়েছে। তাঁর পরনে ছিল সাদা চুড়িদার, মাথায় সাদা ওড়না দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কপালে ছিল লাল সিঁদুর। তাছাড়াও সারাকে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে মগ্ন হয়ে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে। নবরাত্রি উপলক্ষেই সারা আলি খান দেবীর দর্শন করতে গিয়েছিলেন।
তাঁর এই সব ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনরা নানা কমেন্টে তাঁকে ভরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে তাঁদের দিক থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। কিছু সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারকারী সারাকে ভালোবাসায় ভরে দিয়েছেন। অনেক দেবীর কৃপা প্রার্থনাও করছেন। অন্যদিকে, বেশি কিছু নেটিজেন নায়িকাকে ট্রোলও করেছেন।
সারা আলি খানের অসমের গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দিরে দেবী দর্শনের ছবিগুলি দেখে বহু নেটিজেন তাঁর আধ্যাত্মিক ভ্রমণের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘জয় মাতা দি, মাতা রানীর আশীর্বাদ আপনি পাবেন।’ তবে আর এক নেটিজেন সারার ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘মুসলিম হওয়ার পরেও এটা করা উচিত নয়। আমি সকল ধর্মকে সম্মান করি। কিন্তু মুসলিমদের জন্য এটা পাপ। আল্লাহ এটা পছন্দ করবেন না। আল্লাহকে খুশি করতে হবে, মানুষকে নয়।’ আর একজন ব্যবহারকারী লেখেন, ‘তুমি কেন ইসলামিক উৎসবের কোনও ছবি শেয়ার করো না’, একজন অভিনেত্রীকে নাম বদলানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘সারা নাম বদলে সীতা রাখো, এটাই ভালো হবে।’
উল্লেখ্য, এটা প্রথমবার নয়, সারা আলি খান তাঁর এই আধ্যাত্মিক ভ্রমণ শুরু করেছিলেন কেদারনাথ মন্দির থেকে। সেখানকার ছবিও তিনি ভাগ করে নিয়েছিলেন। এছাড়াও সারা উজ্জয়িনী মন্দিরেও ঈশ্বরের দর্শন করতে গিয়েছেন। অভিনেত্রী নিজেই জানিয়ে ছিলেন যে তিনি ভগবান শিবের প্রতি গভীর বিশ্বাস রাখেন।