বিগত কয়েকদিন ধরে দিতিপ্রিয়া রায় আর জিতু কমলের ঝামেলা নিয়ে চর্চা উঠেছিল তুঙ্গে। তারই মাঝে বারবার আরেকটা যে নাম ঘুরেফিরে এসেছিল, তিনি হলেন দিতিপ্রিয়ার মা! টলিপাড়ার কানাঘুষো মেয়েকে এক মুহূর্ত একা ছাড়েন না দিতিপ্রিয়ার মা! এমনকী, জিতুর সঙ্গে রোম্যান্টিক সিনের সময়তেও তিনি উপস্থিত থাকতেন। যা অনেকসময় অপ্রস্তুত করত সহ-অভিনেতাদের।
অবশ্য মেয়েদেরকে সেটে সঙ্গ দেন বহু নায়িকার মা-ই। ডেইলি সোপে বেশ ছোট বয়সেই পা রাখেন নায়িকারা। ১৪-১৫ বছরের মেয়ের সঙ্গে বেশিরভাগ সময়ই থাকেন তাঁদের মায়েরা। দিতিপ্রিয়াকে নিয়ে চর্চার মাঝেই সাইনা চট্টোপাধ্যায়ের মায়ের বলা কথা ভাইরাল। যেখানে তিনি আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, মেয়ের কোনো রোম্যান্টিক দৃশ্য থাকলে তিনি ‘ফ্লোর থেকে বেরিয়ে’ যান।
সাইনাকে দেখা যাচ্ছে কনে দেখা আলো ধারাবাহিকে লাজু অর্থাৎ লাজবন্তীর চরিত্রে। এরই মাঝে সোমরাজ আর সাইনার একটি রোম্যান্টিক সিন ছিল। যেখানে সোমরাজ আর সাইনা একে-অপরকে জড়িয়ে ধরবেন। এরকম ক্ষেত্রে কী করে সাইনার মা সংযুক্তা?
অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী জানালেন, তাংদের বাড়ির পাশেই সাইনার শ্যুট হয়। তাই রোজ সেটে যেতে পারেন না। নিজেরও অফিস আছে। তাই সারা ক্ষণ আমি ওর শুটিংয়ে বসে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। তবে অনেক রাত অবধি শ্যুটিং চললে বা সারা রাত শ্যুটিং চললে তিনি থাকেন।সাইনার আর সোমরাজ যেদিন একে-অপরকে জড়িয়ে ধরার দৃশ্য়ের শ্যুট করলেন সেদিনও রাতে শ্যুটিং চলছিল। তাই তিনি ছিলেন সাইনার সঙ্গে। তবে জড়িয়ে ধরার দৃশ্যের শ্যুটিংয়ের সময় তিনি সেট থেকে বেরিয়ে যান। সংযুক্তার কথায়, ‘আমি সোমরাজ এবং ডল দু’জনকেই স্পেস দিতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম যাতে ওদের কোনও অস্বস্তি না হয়। তাই ফ্লোর থেকে বেরিয়ে আসি সেই সময়ের জন্য।’

সাইনা এখনও ১৮-র গণ্ডি পেরোননি। বয়স তাঁর মাত্র ১৫। যদিও টলিপাড়ায় কাজ করা শুরু করেছেন বছরখানেক আগেই। অনুরাগের ছোঁয়া-য় প্রথম দেখা যায় তাঁকে। বাবা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের মতোই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে এসেছে সাইনা ছোট থেকে। আর মেয়ের সেই স্বপ্নপূরণ করতে সবসময় ঢাল হয়ে আছেন মা সংযুক্তা। সাইনাও বিশ্বাস করেন, মাথার উপর বাবার আশীর্বাদ রয়েছে, সবসময় আদরের ডলকে পথ দেখাচ্ছেন অভিষেক।