মেয়ের জন্মের পর কাছের মানুষদের এই কথা বলেন কাজল

Spread the love

কাজল মানেই পর্দায় প্রাণোচ্ছ্বল হাসি আর হইহুল্লোড়। কিন্তু বাস্তব জীবনে মা হওয়ার পর এক সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে মেয়ে নিশার জন্মের পর কাজল নিজের চারপাশে এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিয়েছিলেন। এমনকি তাঁর খুব কাছের বন্ধুদেরও তিনি সরাসরি বলে দিয়েছিলেন যে, তিনি তাঁদের মুখও দেখতে চান না।

কাজল জানান, মা হওয়ার পর তিনি এক অদ্ভুত মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। অজয় ঘরণীর কথায়, তিনি অনুভব করেছিলেন, একটি নবজাতকের যত্ন নেওয়ার জন্য তাঁর শান্ত পরিবেশ এবং একান্ত ব্যক্তিগত সময় প্রয়োজন। সাধারণত সন্তান জন্মের পর আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের ভিড় লেগে থাকে। কাজল চেয়েছিলেন সেই সময়টা কেবল নিজের এবং তাঁর সন্তানের জন্য বরাদ্দ রাখতে।

নতুন মা হিসেবে তিনি চাননি বাইরের কোনো উপদেশ বা মানুষের উপস্থিতি তাঁর মানসিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটাক। তিনি সটান বলে দিয়েছিলেন, ‘আমি তোমাদের মুখ দেখতে চাই না’।

কাজল হাসতে হাসতে পুরনো দিনের কথা মনে করে বলেন, ‘আমি আমার বন্ধুদের ফোন করে বলেছিলাম, দেখো আমি তোমাদের ভালোবাসি, কিন্তু এখন আমি তোমাদের মুখ দেখতে চাই না। দয়া করে আমার বাড়িতে এসো না।’ তিনি মনে করেন, একজন নতুন মায়ের পক্ষে নিজের জন্য ‘না’ বলা বা সীমা নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।

কাজল সবসময়ই নিশাকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সন্তানদের বড় হওয়ার পথে মা-বাবার সাহচর্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই কারণেই তিনি কেরিয়ারের মধ্যগগনে থেকেও লম্বা বিরতি নিতে দ্বিধা করেননি।

আজকের নিসা ও কাজলের বন্ডিং:

সেই ছোট্ট নিসা আজ এক আত্মবিশ্বাসী তরুণী। কাজলের সেই কঠোর পরিশ্রম আর সুরক্ষাই হয়তো আজকের নিসার ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলেছে। কাজল এবং নিসার বর্তমান বন্ধুসুলভ সম্পর্ক সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই নজর কাড়ে। অজয় কন্যার ট্রান্সফরমেশনও একটা সময় হয়ে উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার টক অফ দ্য টাউন। নিসা দেবগণ রীতিমতো পার্টি অ্যানিম্যাল। বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করতে ওস্তাদ কাজল কন্য়ে। নিসা কি বলিউডে পা দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। তবে মেয়ের সব সিদ্ধান্তকেই সমর্থন জানাবেন অজয়-কাজল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *