যুদ্ধবিধ্বস্ত দক্ষিণ গাজার রাফায় টানেলে আটকে পড়া যোদ্ধাদের নিরাপদে বের করে দিতে মধ্যস্থকারীদেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।দ্য নিউ আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে টানেল থেকে বের হওয়ার পর ২০ হামাস সদস্যকে হত্যা ও আটজনকে গ্রেফতার করার পর হামাসের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানানো হলো।
গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও রাফায় টানেলে শতাধিক হামাস যোদ্ধা আটকে পড়েন। এরমধ্যে কিছু যোদ্ধা বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের মধ্যে অন্তত ২০ জনকে বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা।
এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, ‘আমাদের যোদ্ধাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য আমরা ইসরাইলকে দায়ী করছি। আমাদের সন্তানরা যেন বাড়িতে ফিরতে পারে সে ব্যবস্থা করতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
যোদ্ধাদের বের হতে নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানানোর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তাদের সদস্যরা টানেলে আটকা পড়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করল হামাস।
যুদ্ধবিরতির পরও রাফার প্রায় পুরো অংশ ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে তারা কথিত হলুদ সীমারেখা তৈরি করেছে। কোনো চিহ্ন না থাকলেও এ সীমারেখা পার হলেই ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে গুলি বা বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করে নেতানিয়াহু বাহিনী।
ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকা টানেলে আটকা হামাস যোদ্ধাদের আত্মসমর্পণের শর্তে বের হওয়ার শর্ত দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।
এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, ‘আমাদের যোদ্ধাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য আমরা ইসরাইলকে দায়ী করছি। আমাদের সন্তানরা যেন বাড়িতে ফিরতে পারে সে ব্যবস্থা করতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি।’

যোদ্ধাদের বের হতে নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানানোর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তাদের সদস্যরা টানেলে আটকা পড়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করল হামাস।
যুদ্ধবিরতির পরও রাফার প্রায় পুরো অংশ ইসরাইলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে তারা কথিত হলুদ সীমারেখা তৈরি করেছে। কোনো চিহ্ন না থাকলেও এ সীমারেখা পার হলেই ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে গুলি বা বিমান হামলা চালিয়ে হত্যা করে নেতানিয়াহু বাহিনী।
ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আইডিএফের নিয়ন্ত্রণে থাকা টানেলে আটকা হামাস যোদ্ধাদের আত্মসমর্পণের শর্তে বের হওয়ার শর্ত দিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।