ধুরন্ধর ছবিটি নেটফ্লিক্সে সাড়া ফেলে দিয়েছে। আর এই খ্যাতি দেশেই আটকে নেই, ছড়িয়ে পড়েছে বাইরেও। ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানের নেটফ্লিক্সে ১ নম্বরে ধুরন্ধর। পাকিস্তানি দর্শক ধুরন্ধরকে খুব পছন্দ করছেন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটির প্রশংসাও করছে।
রণবীর সিং অভিনীত ধুরন্ধর নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরে ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই ১ নম্বরে ট্রেন্ডিং করছে। পাকিস্তানে ধুরন্ধরের মুক্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। নেটফ্লিক্স পাকিস্তানের ট্রেন্ডিং লিস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। এতে ধুরন্ধর ১ নম্বরে রয়েছেন।
পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের শীর্ষ দশ-
১.ধুরন্ধর
২.তেরে ইশক মে
৩.হক
৪.দ্য বিগ ফেক
৫. দে দে প্যার দে ২
৬.মারদানি ২
৭. দ্য আরআইপি
৮.মারদানি
৯. ৯৬ মিনিট
১০.জলি এলএলবি (ক্রেডিট: ফ্লিক্সপ্যাট্রোল)

ছবিটি ২৬ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানে পঞ্চম তম সপ্তাহের শীর্ষ র্যাঙ্কিং চলচ্চিত্রের তালিকায় ছিল। এটি ৩১ জানুয়ারি থেকে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
রেডিটে ছবিটির প্রশংসা করেছে পাকিস্তানি দর্শকরা। একটি মন্তব্যে লেখা, ‘একজন পাকিস্তানি হিসেবে আমি বলছি যে, ধুরন্ধর আমার দেখা সেরা বলিউড সিনেমা’। আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘প্রথমবারের মতো এমন একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে বাস্তব গবেষণা করে বের করা হয়েছে।’ এমনকী, পাকিস্তানি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অপরাধের যোগসূত্র দেখানোর জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সেই দেশের দর্শকরাই।আদিত্য ধর একটি পার্টেই ছবিখানা তৈরি করতে চেয়েছিলেন, তবে প্রযোজনা সংস্থাই তাঁকে পরামর্শ দেয় যে, ধুরন্ধরকে দুটি অংশে মুক্তি দেওয়া বেশি লাভজনক হবে। সেটাই ঘটে। ছবির প্রথম অংশটি ব্লকবাস্টার হিট ছিল, তবে যেহেতু পার্ট ২-এর বেশিরভাগ শুটিং ইতিমধ্যে নির্মাতারা সম্পন্ন করেছেন, কিছু অতিরিক্ত দৃশ্য যুক্ত করেছেন, তাই আর বেশি দেরি করতে হয়নি। নির্মাতারা ১৯ মার্চ ছবির দ্বিতীয় অংশটি মুক্তি দেবেন, যার জন্য ভক্তরা অত্যন্ত উত্তেজিত। ছবির পোস্ট-ক্রেডিট দৃশ্যে এটি সম্পর্কে একটি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।