পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই! চেনা ছন্দে তারা ভারতের বিরুদ্ধে তাদের মিথ্যাচার চালানোর ধারা ধরে রেখেছে! অন্তত পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঞ্চালনায় থাকা এক পাকিস্তানি শো এমনই বার্তা দিচ্ছে। সেই শো-তে দাবি করা হয়, পাকিস্তান যাতে ভারতের সঙ্গে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ খেলে, তার জন্য নাকি ভারতের রাজীব শুক্লা বারবার অনুরোধ করেন পাক কর্তৃপক্ষকে। এর সপক্ষে এক অডিয়ো শোনানো হয় ওই পাক শোতে। যে অডিয়ো এআই দিয়ে তৈরি ও তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। এই তথ্য জানিয়ে, এদিন সরব হন বিসিবিআই-র কর্তা রাজীব শুক্লা।
রাজীব শুক্লা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান,’ ভারত-পাকিস্তান বিশ্বকাপ ম্যাচের উপর আমার মন্তব্যের একটি ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই) ব্যবহার করে অডিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এই বক্তব্যগুলি আমার নয়। আমি সকলকে অনুরোধ করছি যে এই বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু বিশ্বাস করবেন না বা প্রচার করবেন না এবং যেখানেই এই ধরনের ভিডিও দেখা যাবে সেখানেই রিপোর্ট করবেন।’
এবার আসা যাক, পাকিস্তানের ওই শো-র কথায়! সেখানে শোয়েব মালিককে বলতে শোনা গিয়েছে,’ আমি আপনাদের বিসিসিআই সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লার একটি ক্লিপ দেখাতে চাই।’ এরপর শোতে একটি ক্লিপ চলে। সেখানে এক কণ্ঠ শোনা যায়, যে কণ্ঠকে রাজীব শুক্লার কণ্ঠ বলে ভুয়ো দাবি করতে থাকেন পাকিস্তানি ক্রিকেট তারকা। ওই ভুয়ো অডিয়োয় শোনা যায় কণ্ঠটি বলছে,’ভারতের বিপক্ষে খেলতে পাকিস্তানকে রাজি করানোর জন্য বিসিসিআইয়ের বারবার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি প্রতিনিধি যে আলোচনা শুরু করেছেন তার ফলাফল দেখে আমি আনন্দিত।’ রাজীব শুক্লা সাফ দাবি করেছেন, এই কণ্ঠস্বর তাঁর নয়। আর তিনি এই বার্তা দেনওনি।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ খেলবে না বলে জানিয়েছিল পাকিস্তান। এরপর বিপুল আর্থিক ক্ষতির খাঁড়া নিয়ে পাকিস্তান এই বিষয়ে আইসিসির সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে একাধিক দাবি তোলে পাকিস্তান। বাংলাদেশের পক্ষেও যায় আইসিসির বহু সিদ্ধান্ত, যে বাংলাদেশ নিজের ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ না খেলতে চেয়ে জেদ ধরে রেখে শেষে এই বিশ্বকাপের আসর থেকে বাদ পড়ে। পাশে এসে দাঁড়ায় মহসিন নকভির পিসিবি। এরপরই ইসলামাবাদ, জানায় তাদের দল বিশ্বকাপ খেললেও ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। আইসিসির উদ্যোগে বরফ গলে। পাকিস্তান বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজিও হয়। শুধু মাঝখান থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে যায়।