রাতভর অ্যাকশন করে ১০ জনকে ধরল কলকাতা পুলিশ

Spread the love

খাস কলকাতায় বোমাবাজি। রবিবার রাতে রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। চলে গুলিও। বোমাবাজির অভিযোগও উঠে। এমনকী পুলিশের গাড়িও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রাতের ওই ঘটনায় নাম উঠে আসে স্থানীয় দুষ্কৃতি সোনা পাপ্পু ও তার দলবলের দিকে। এই তাণ্ডবের ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান।\

ঘটনার সূত্রপাত

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক হচ্ছিল। সেখানে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন দুষ্কৃতী মুখে রুমাল বেঁধে এলাকায় চড়াও হয়। গুলি চালানো থেকে বোমাবাজির অভিযোগও ওঠে। হামলা করা হয় ধারালো অস্ত্র নিয়েও। রাস্তায় পুলিশের গাড়ি এবং স্থানীয়দের বাইকও ভাঙচুর করা হয়। ছোড়া হয় ইটও। রাস্তা থেকে গুলির খোল এবং বোমার সুতলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, রবিবারের ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে এসএসকেএম ট্রমাকেয়ারে ভর্তি। তাঁর নাম চন্দন দাস। যার পায়ে গুলি লেগেছে। সনৎ সিং নামে আরও একজনের মাথায় আঘাত লেগেছে। তাঁকেও এসএসকেএম ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে। দু’জনের বাড়ি কসবা এলাকায়। যে এলাকা থেকে হামলা চালাতে দুষ্কৃতীরা এসেছিল, সেই এলাকার বাসিন্দা গুলিবিদ্ধ এই যুবক।

পুলিশের অভিযান

এই ঘটনায় পুলিশ যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বয়স ১৮ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ জন রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকারই বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি কসবা থানা এলাকায়। গোলমালের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিল পুলিশ। কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ভোলানাথ পাণ্ডেও ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। রাতেই আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে শুরু করে পুলিশ। শুরু হয় তল্লাশি। রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পাশাপাশি কসবাতেও তল্লাশি চলে। ওই অভিযানেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের। রবিবার রাতের ওই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সোনা পাপ্পুর দলবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন। গত বছর গণেশপুজোতেও সোনা পাপ্পুর দল এলাকায় তাণ্ডব চালিয়েছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। তবে ধৃতেরা প্রত্যকেই সোনা পাপ্পুর দলের সঙ্গে যুক্ত কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *